ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই দেশে আর নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন ‘তুমি কে, আমি কে, ফার্মের মুরগি’—স্লোগানে উত্তাল সায়েন্সল্যাব এলাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নতুন দায়িত্বে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বন্দ্বে স্থবির রাজশাহী, বন্ধ অভ্যন্তরীণ সব রুটের বাস সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় মৌলিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​আমাদের সম্পদ বন্ধুদের তহবিল নয়: ইরানের কঠোর বার্তা

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্রদের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মেটাতে ইরানি অর্থ ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী স্পষ্ট করেছেন যে আঞ্চলিক কোনো সরকারের ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার অধিকার নেই। 

গত রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ওয়াশিংটনের জন্য কোনো যুদ্ধের লুট নয়, কিংবা তাদের বন্ধুদের দেওয়ার কোনো তহবিলও নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট একটি বিশেষজ্ঞ দলকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানি হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন মূলত ইরানের জব্দকৃত অর্থ দিয়ে তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের অতীত ও ভবিষ্যতের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা তাদের দাবি অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের অনুমতি ছাড়া তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা স্থানান্তর করা হলে তা হবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক অপরাধ। আমেরিকার এমন পদক্ষেপ চলমান শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং ইরান এর উপযুক্ত জবাব দেবে। ঘারিবাবাদী আরও বলেন, আঞ্চলিক কিছু দেশ নিজেদের মাটি ও সামরিক ঘাঁটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মার্কিন বাহিনীকে ছেড়ে দিয়েছে, তাই তারা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নয়, বরং তাদেরই উচিত ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

উল্লেখ্য, সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা শত কোটি ডলার ছাড় করার দাবি জানিয়ে আসছে তেহরান। যুদ্ধ বন্ধে ইরানের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো তাদের স্থগিত সম্পদ অবমুক্ত করা, সব মার্কিন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দেওয়া।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই দেশে আর নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

​আমাদের সম্পদ বন্ধুদের তহবিল নয়: ইরানের কঠোর বার্তা

আপডেট সময় ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন মিত্রদের যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মেটাতে ইরানি অর্থ ব্যবহারের মার্কিন পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী স্পষ্ট করেছেন যে আঞ্চলিক কোনো সরকারের ইরানের কাছে ক্ষতিপূরণ চাওয়ার অধিকার নেই। 

গত রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ওয়াশিংটনের জন্য কোনো যুদ্ধের লুট নয়, কিংবা তাদের বন্ধুদের দেওয়ার কোনো তহবিলও নয়।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট একটি বিশেষজ্ঞ দলকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানি হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।

ওয়াশিংটন মূলত ইরানের জব্দকৃত অর্থ দিয়ে তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের অতীত ও ভবিষ্যতের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা তাদের দাবি অনুযায়ী মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থকে লক্ষ্য করে করা হয়েছিল।

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের অনুমতি ছাড়া তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা স্থানান্তর করা হলে তা হবে একটি নতুন আন্তর্জাতিক অপরাধ। আমেরিকার এমন পদক্ষেপ চলমান শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করবে এবং ইরান এর উপযুক্ত জবাব দেবে। ঘারিবাবাদী আরও বলেন, আঞ্চলিক কিছু দেশ নিজেদের মাটি ও সামরিক ঘাঁটি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য মার্কিন বাহিনীকে ছেড়ে দিয়েছে, তাই তারা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নয়, বরং তাদেরই উচিত ইরানকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

উল্লেখ্য, সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আটকে থাকা শত কোটি ডলার ছাড় করার দাবি জানিয়ে আসছে তেহরান। যুদ্ধ বন্ধে ইরানের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো তাদের স্থগিত সম্পদ অবমুক্ত করা, সব মার্কিন ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ কর্তৃত্বের স্বীকৃতি দেওয়া।