ময়মনসিংহ , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো বললেন রিজভী হামের টিকায় ডিএনসিসি সফল বলে মন্তব্য করেছেন প্রশাসক নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত: তাৎক্ষণিক সেবা পেলেন ভুক্তভোগীরা আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ​আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে পূর্বধলায় ‘স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতি’র বৃক্ষরোপণ ​অসুস্থ শিশু আব্দুল্লাহ’র উন্নত চিকিৎসার জন্য আকুল আবেদন সূর্যগ্রহণের সময় করণীয়: মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও বিশেষ আমলসমূহ নিষিদ্ধ হলেও ভারতীয়রা ভিপিএন ব্যবহার করে এখনো আমার গান শোনেন বললেন আতিফ আসলাম নেত্রকোণায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান ট্রাফিক বিভাগের ৩১ পুলিশ সদস্যকে কেএমপি কমিশনারের পুরস্কার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চীনা তরুণীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন: ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বিয়ে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন চীনের নাগরিক সোহান চাও (৩৮)। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ। বিয়ের পর এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

গত শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে কৌতূহলী মানুষ আয়েশা সুলতানার (২১) বাড়িতে ভিড় করেন। আয়েশা কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে। সোহান চাও চীনের হেনান প্রদেশের নানইয়াং শহরের বাসিন্দা সংফু ফ্যাংয়ের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সং হানজাও বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর গত ১৪ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলামী রীতিতে আয়েশা সুলতানাকে বিয়ে করেন।

আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, সোহান বাংলাদেশে আসার পর আমরা ঢাকায় গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে তার বিষয়ে খোঁজখবর নিই। তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দিই। বিয়ের পর তারা ঢাকায় থাকছেন। মেয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে। পরে তাকে চীনে নিয়ে যাবে। সবকিছু জেনেশুনেই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি।

স্থানীয় যুবক আলিম হোসেন বলেন, প্রায়ই দেখা যায়, বিদেশ থেকে এসে বিয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি নারীদের নিজ দেশে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে ফেলা হয়। তাই এ ধরনের বিষয়ে সরকারের আরও নজরদারি প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো বললেন রিজভী

চীনা তরুণীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন: ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বিয়ে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট সময় ১২:৫৯:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন চীনের নাগরিক সোহান চাও (৩৮)। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের পর তার নাম রাখা হয় মোহাম্মদ। বিয়ের পর এক মাসের বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

গত শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে কৌতূহলী মানুষ আয়েশা সুলতানার (২১) বাড়িতে ভিড় করেন। আয়েশা কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে। সোহান চাও চীনের হেনান প্রদেশের নানইয়াং শহরের বাসিন্দা সংফু ফ্যাংয়ের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সং হানজাও বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর গত ১৪ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলামী রীতিতে আয়েশা সুলতানাকে বিয়ে করেন।

আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, সোহান বাংলাদেশে আসার পর আমরা ঢাকায় গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে তার বিষয়ে খোঁজখবর নিই। তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দিই। বিয়ের পর তারা ঢাকায় থাকছেন। মেয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে। পরে তাকে চীনে নিয়ে যাবে। সবকিছু জেনেশুনেই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি।

স্থানীয় যুবক আলিম হোসেন বলেন, প্রায়ই দেখা যায়, বিদেশ থেকে এসে বিয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি নারীদের নিজ দেশে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে ফেলা হয়। তাই এ ধরনের বিষয়ে সরকারের আরও নজরদারি প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।