ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেই বের হবে, বাসে ককটেল মারছে কারা বলেছেন রাশেদ খাঁন ১১ দলের লংমার্চে যমুনা সেতুতে কিছু গাড়ির টোল দেওয়া হয়নি বললেন রিজভী ময়মনসিংহে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি’তে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের অংশগ্রহণ ব্যয় সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা দুই-একটা ককটেল ফাটিয়ে সরকারের কিছু করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা মাদকসহ আটক: ঠাকুরগাঁওয়ে এক ব্যক্তির ৩ মাসের কারাদণ্ড বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না বললেন তানজিন তিশা সহজ ধাপে অনলাইনে নবম পে স্কেলের বেতন স্কেল নির্ধারণ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া নিউ জার্সির ৭ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট: নতুন জরিপে রিপাবলিকান টম কিয়ানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন ডেমোক্র্যাট বেনেট নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটি নির্বাচন: আবারও সহ-সভাপতি পদে সেলিম-আলী পরিষদের মহিউদ্দিন দেওয়ানের পক্ষে সহযোগিতার আহ্বান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিন জনকে হল ছাড়া

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪
  • ১০৫১ বার পড়া হয়েছে

মাটি ও মানুষ সংবাদ-

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাওয়ার ও ছবি পোস্ট করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেছে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। এছাড়া তিনজনকে হল থেকে বের করে দিয়েছেন। সোমবার বিভিন্ন সময়ে এসব মারধরের ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার ভুক্তভোগীরা হলেন- ২০২০-২১ সেশনের আব্দুল বাসিত, শাকাওয়াত হোসেন সাকু, লিমন খান রানা, মোর্শেদ ইসলাম। ২০১৬-১৭ সেশনের ফারুক ও তাওহীদ ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাকাওয়াত ও বাসিতকে খুব বেশি মারা হয়েছে। শাকাওয়াতকে রুমে গিয়ে মারা হয়েছে। আর বাসিত হাসপাতালে যাচ্ছিল। তখন ফোন চেক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। লিমন, শাকাওয়াত ও মোর্শেদকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এসময় সব গ্রুপের পদপ্রত্যাশীরা উপস্থিত থেকে মারধর করেন। এছাড়াও হলের অনেকের ফোন চেক করেছে তারা।মারধরে অংশ নেওয়া পদপ্রত্যাশীরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী নাহিদ, ইমরান, আসিফ, শুভ, নুহাস ও আলিফ। সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারীরা হলেন- শাহারাত, নাসিফ, শওকত, রিফাত ও লিয়ন। ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি শয়নের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন ফজলে রাব্বি এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকতের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন লালন।

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিনজনকে হল ছাড়া-

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যারা কোটা আন্দোলনে গিয়েছিল পদপ্রত্যাশীরা তাদের মারার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছে অনেকেই হল ছেড়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিচ্ছেন। এছাড়া রাতে ঢাবির বিজয় একাত্তর হলেও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেই বের হবে, বাসে ককটেল মারছে কারা বলেছেন রাশেদ খাঁন

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিন জনকে হল ছাড়া

আপডেট সময় ১১:৫৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

মাটি ও মানুষ সংবাদ-

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যাওয়ার ও ছবি পোস্ট করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর করেছে ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা। এছাড়া তিনজনকে হল থেকে বের করে দিয়েছেন। সোমবার বিভিন্ন সময়ে এসব মারধরের ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার ভুক্তভোগীরা হলেন- ২০২০-২১ সেশনের আব্দুল বাসিত, শাকাওয়াত হোসেন সাকু, লিমন খান রানা, মোর্শেদ ইসলাম। ২০১৬-১৭ সেশনের ফারুক ও তাওহীদ ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাকাওয়াত ও বাসিতকে খুব বেশি মারা হয়েছে। শাকাওয়াতকে রুমে গিয়ে মারা হয়েছে। আর বাসিত হাসপাতালে যাচ্ছিল। তখন ফোন চেক করে বেধড়ক মারধর করা হয়। লিমন, শাকাওয়াত ও মোর্শেদকে হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এসময় সব গ্রুপের পদপ্রত্যাশীরা উপস্থিত থেকে মারধর করেন। এছাড়াও হলের অনেকের ফোন চেক করেছে তারা।মারধরে অংশ নেওয়া পদপ্রত্যাশীরা হলেন- কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেনের অনুসারী নাহিদ, ইমরান, আসিফ, শুভ, নুহাস ও আলিফ। সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের অনুসারীরা হলেন- শাহারাত, নাসিফ, শওকত, রিফাত ও লিয়ন। ঢাবি ছাত্রলীগ সভাপতি শয়নের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন ফজলে রাব্বি এবং সাধারণ সম্পাদক সৈকতের অনুসারীদের মধ্যে ছিলেন লালন।

ঢাবির এফ রহমান হলের ৬ শিক্ষার্থীকে মারধর, তিনজনকে হল ছাড়া-

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যারা কোটা আন্দোলনে গিয়েছিল পদপ্রত্যাশীরা তাদের মারার জন্য খোঁজ খবর নিচ্ছে অনেকেই হল ছেড়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিচ্ছেন। এছাড়া রাতে ঢাবির বিজয় একাত্তর হলেও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।