ময়মনসিংহ , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আটঘরিয়া উপজেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নেত্রকোণার মদনে বিদ্যালয় ভবন রক্ষা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ডিসির পূর্বধলার ঘাগড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় হাফেজ শফিউল আলম শামীম চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের মধ্যে অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করা হয়েছে কাঁঠালিয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪৭ পূজামণ্ডপে চাল বিতরণ বিরামপুরে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা হারানো বিজ্ঞপ্তি ট্যুরিস্ট ক্লাব অব সিলেটের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ইউজিসি সদস্যের বাউবির রংপুর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন, কর্মকর্তা—কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় পঞ্চগড়ে গোপন ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বর্ষাকালে পরিবারের সবাইকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সচেতনতা

এখন বর্ষাকাল চলছে, আর প্রতিবছর আমাদের বাংলাদেশে অসংখ্য ছোট বাচ্চা পানিতে ডুবে মারা যায়, যার সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটে এই বর্ষার সময়।

এই সময় চারিদিকে অনেক পানি থাকায় অনেক ছোট বাচ্চারা সেই পানিতে ডুবে মারা যায়, খালি হয় অনেক মায়ের কোল। এই সময় আপনারা আপনাদের ছোট্ট বাচ্চাদের সর্বোচ্চ সাবধানে রাখবেন যেনো তাঁরা কোনভাবেই অরক্ষিতভাবে জলাশয়ের কাছে না যায়। আর অবস্যই আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের সাঁতার সেখার বয়স হবার সাথে সাথে সাঁতার শিখিয়ে দিবেন। কারণ আমাদের বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এখানে নদনদীসহ চারিদিকেই অসংখ্য পুকুর, খাল, ডোবা জলাশয় থাকে। তাই সাতার না সেখান কোন অজুহাত নেই। শিশু বাচ্চাকে সাতার শেখানো আবশ্যক।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে জরুরি। এই সময়ে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, টাইফয়েড এবং ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।পরিবারের সুরক্ষায় যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত, তাঁর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো: স্বাস্থ্য ও খাবার দাবারবিশুদ্ধ পানি: পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে পান করুন। রান্নার কাজেও নিরাপদ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করুন। টাটকা খাবার: বাসি বা রাস্তার খোলা খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। সবসময় গরম ও টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। মৌসুমি ফল: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-সি যুক্ত টক ফল এবং মৌসুমি শাকসবজি খান। হাত ধোয়া: বাইরে থেকে ফিরলে এবং খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।ঘরবাড়ি ও চারপাশের পরিচ্ছন্নতামশা নিয়ন্ত্রণ: ঘরের কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।আলো-বাতাস: ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে ভারী পর্দার বদলে হালকা পর্দা ব্যবহার করুন, যেন ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ঢোকে আসবাব ও ফ্রিজ: ফ্রিজের ভেতর-বাইরে নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। ঘরের কোণা ও বাথরুম শুকনো রাখার চেষ্টা করুন যেন ছত্রাক না জন্মায়। শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নভিজে গেলে: বৃষ্টিতে ভিজলে ঘরে ফিরে দ্রুত মাথা ও শরীর ভালো করে মুছে নিন।

সম্ভব হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দিন। পোশাক: শিশুদের সবসময় শুকনো এবং আরামদায়ক পোশাক পরিয়ে রাখুন। বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি: জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে ছাতা, রেইনকোট এবং ওয়াটারপ্রুফ জুতো ব্যবহার করুন। প্রাথমিক চিকিৎসা: ঘরে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ঠান্ডার ওষুধ এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে বা ক্রিম মজুত রাখুন।বর্ষার দিনগুলোতে ঘরে বসে পরিবারের সাথে আনন্দময় সময় কাটাতে দাবা, লুডুর মতো ইনডোর গেম খেলতে পারেন। রোগবালাইয়ের লক্ষণ গুরুতর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আটঘরিয়া উপজেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

বর্ষাকালে পরিবারের সবাইকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সচেতনতা

আপডেট সময় ০৯:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

এখন বর্ষাকাল চলছে, আর প্রতিবছর আমাদের বাংলাদেশে অসংখ্য ছোট বাচ্চা পানিতে ডুবে মারা যায়, যার সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটে এই বর্ষার সময়।

এই সময় চারিদিকে অনেক পানি থাকায় অনেক ছোট বাচ্চারা সেই পানিতে ডুবে মারা যায়, খালি হয় অনেক মায়ের কোল। এই সময় আপনারা আপনাদের ছোট্ট বাচ্চাদের সর্বোচ্চ সাবধানে রাখবেন যেনো তাঁরা কোনভাবেই অরক্ষিতভাবে জলাশয়ের কাছে না যায়। আর অবস্যই আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের সাঁতার সেখার বয়স হবার সাথে সাথে সাঁতার শিখিয়ে দিবেন। কারণ আমাদের বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এখানে নদনদীসহ চারিদিকেই অসংখ্য পুকুর, খাল, ডোবা জলাশয় থাকে। তাই সাতার না সেখান কোন অজুহাত নেই। শিশু বাচ্চাকে সাতার শেখানো আবশ্যক।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে জরুরি। এই সময়ে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, টাইফয়েড এবং ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।পরিবারের সুরক্ষায় যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত, তাঁর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো: স্বাস্থ্য ও খাবার দাবারবিশুদ্ধ পানি: পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে পান করুন। রান্নার কাজেও নিরাপদ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করুন। টাটকা খাবার: বাসি বা রাস্তার খোলা খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। সবসময় গরম ও টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। মৌসুমি ফল: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-সি যুক্ত টক ফল এবং মৌসুমি শাকসবজি খান। হাত ধোয়া: বাইরে থেকে ফিরলে এবং খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।ঘরবাড়ি ও চারপাশের পরিচ্ছন্নতামশা নিয়ন্ত্রণ: ঘরের কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।আলো-বাতাস: ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে ভারী পর্দার বদলে হালকা পর্দা ব্যবহার করুন, যেন ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ঢোকে আসবাব ও ফ্রিজ: ফ্রিজের ভেতর-বাইরে নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। ঘরের কোণা ও বাথরুম শুকনো রাখার চেষ্টা করুন যেন ছত্রাক না জন্মায়। শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নভিজে গেলে: বৃষ্টিতে ভিজলে ঘরে ফিরে দ্রুত মাথা ও শরীর ভালো করে মুছে নিন।

সম্ভব হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দিন। পোশাক: শিশুদের সবসময় শুকনো এবং আরামদায়ক পোশাক পরিয়ে রাখুন। বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি: জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে ছাতা, রেইনকোট এবং ওয়াটারপ্রুফ জুতো ব্যবহার করুন। প্রাথমিক চিকিৎসা: ঘরে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ঠান্ডার ওষুধ এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে বা ক্রিম মজুত রাখুন।বর্ষার দিনগুলোতে ঘরে বসে পরিবারের সাথে আনন্দময় সময় কাটাতে দাবা, লুডুর মতো ইনডোর গেম খেলতে পারেন। রোগবালাইয়ের লক্ষণ গুরুতর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।