ময়মনসিংহ , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ২ কারবারি যুক্তিবাদী সমাজ গড়ে উঠলে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলেছেন এনডিএফ চেয়ারম্যান পূর্বধলায় সারাদেশের ন্যায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেছেন রিজভী আল্লাহর কাছে তো রেকর্ড হচ্ছেই, বান্দার কাছেও রেকর্ড হচ্ছে বললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় দুই হাজার পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজন গ্রেফতার সুনামগঞ্জে শতাধিক শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মুসলিম মায়ের অদম্য সংগ্রাম আর ত্যাগের ফলেই আজকের তারকা লামিনে ইয়ামাল

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

পায়ের ঝলক দেখিয়ে ফুটবল বিশ্বের নজর কাড়েন তরুণ লামিনে ইয়ামাল। বার্সেলোনায় নিজের জাত আগেই চিনিয়েছেন এই উইঙ্গার। স্পেনের হয়েও জিতেছিলেন ইউরোর শিরোপা। এবার নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। মাত্র ১৯ বছরেই বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছেন এই তারকা।

তবে লামিনে ইয়ামালের এই শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছানোর গল্পটি কেবল ফুটবল মাঠের নয়। এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক পরিবারের সংগ্রাম ও কঠিন আত্মত্যাগের গল্প। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বিশেষ প্রতিবেদনে ইয়ামালের জীবনের এই অনুপ্রেরণাদায়ী গল্পটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ামালের ফুটবল ক্যারিয়ারের মূল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল আজ থেকে কয়েক দশক আগে। তার পৈতৃক দাদি, ফাতিমা রোমানি, পরিবারকে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়ার আশায় মরক্কো থেকে একা স্পেনের উদ্দেশে রওনা হন। কোনো আইনি কাগজপত্র ও আর্থিক সাহায্য ছাড়া অচেনা এক দেশে পাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

পরবর্তীতে ইয়ামালের শৈশবে তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটলে দাদি ফাতিমা আবারও পরিবারের মূল স্তম্ভ হয়ে দাঁড়ান। রকাফোন্দার কঠিন পরিবেশের মধ্যেও তিনি ইয়ামালকে আগলে রাখেন, তাকে স্থিতিশীলতা দেন এবং ফুটবলের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখতে উদ্বুদ্ধ করেন।

পেশাদার ফুটবলে সাফল্য পাওয়ার পরও ইয়ামাল নিজের শৈশব ও দাদির অবদান ভুলে যাননি। মাঠে গোল করার পর তিনি আঙুল দিয়ে যে ‘৩০৪’ সংখ্যাটি প্রদর্শন করেন, তা মূলত রকাফোন্দা এলাকার পোস্টকোড (০৮৩০৪)-এর প্রতি ভালোবাসার প্রতীক।

ইয়ামালের বিভিন্ন মন্তব্য থেকে জানা যায়, ফুটবল মাঠে ট্রফি জেতার চেয়েও তার কাছে বেশি আনন্দের হলো তার বাবা, মা ও দাদিকে শান্তিতে রাখা। ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ইয়ামাল তার অর্জিত অর্থ দিয়ে রকাফোন্দাতেই দাদি ফাতিমার জন্য একটি বাড়ি কিনে দেন, যেখানে তিনি আজও বসবাস করছেন। বিশ্ব ফুটবলের আলোচনার কেন্দ্রে থাকার পরও নিজের অতীত ও দাদির আত্মত্যাগের কথা ইয়ামাল সব সময় গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত

মুসলিম মায়ের অদম্য সংগ্রাম আর ত্যাগের ফলেই আজকের তারকা লামিনে ইয়ামাল

আপডেট সময় ১২:০৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

পায়ের ঝলক দেখিয়ে ফুটবল বিশ্বের নজর কাড়েন তরুণ লামিনে ইয়ামাল। বার্সেলোনায় নিজের জাত আগেই চিনিয়েছেন এই উইঙ্গার। স্পেনের হয়েও জিতেছিলেন ইউরোর শিরোপা। এবার নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। মাত্র ১৯ বছরেই বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছেন এই তারকা।

তবে লামিনে ইয়ামালের এই শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছানোর গল্পটি কেবল ফুটবল মাঠের নয়। এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক পরিবারের সংগ্রাম ও কঠিন আত্মত্যাগের গল্প। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বিশেষ প্রতিবেদনে ইয়ামালের জীবনের এই অনুপ্রেরণাদায়ী গল্পটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ামালের ফুটবল ক্যারিয়ারের মূল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল আজ থেকে কয়েক দশক আগে। তার পৈতৃক দাদি, ফাতিমা রোমানি, পরিবারকে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেওয়ার আশায় মরক্কো থেকে একা স্পেনের উদ্দেশে রওনা হন। কোনো আইনি কাগজপত্র ও আর্থিক সাহায্য ছাড়া অচেনা এক দেশে পাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

পরবর্তীতে ইয়ামালের শৈশবে তার বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটলে দাদি ফাতিমা আবারও পরিবারের মূল স্তম্ভ হয়ে দাঁড়ান। রকাফোন্দার কঠিন পরিবেশের মধ্যেও তিনি ইয়ামালকে আগলে রাখেন, তাকে স্থিতিশীলতা দেন এবং ফুটবলের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখতে উদ্বুদ্ধ করেন।

পেশাদার ফুটবলে সাফল্য পাওয়ার পরও ইয়ামাল নিজের শৈশব ও দাদির অবদান ভুলে যাননি। মাঠে গোল করার পর তিনি আঙুল দিয়ে যে ‘৩০৪’ সংখ্যাটি প্রদর্শন করেন, তা মূলত রকাফোন্দা এলাকার পোস্টকোড (০৮৩০৪)-এর প্রতি ভালোবাসার প্রতীক।

ইয়ামালের বিভিন্ন মন্তব্য থেকে জানা যায়, ফুটবল মাঠে ট্রফি জেতার চেয়েও তার কাছে বেশি আনন্দের হলো তার বাবা, মা ও দাদিকে শান্তিতে রাখা। ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ইয়ামাল তার অর্জিত অর্থ দিয়ে রকাফোন্দাতেই দাদি ফাতিমার জন্য একটি বাড়ি কিনে দেন, যেখানে তিনি আজও বসবাস করছেন। বিশ্ব ফুটবলের আলোচনার কেন্দ্রে থাকার পরও নিজের অতীত ও দাদির আত্মত্যাগের কথা ইয়ামাল সব সময় গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।