ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ফেয়ারডিল ও বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন জব্দ শিবগঞ্জে এসআরবির যৌথ অভিযান: ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকার জাল নোটসহ গ্রেপ্তার ৩ শেরপুর সীমান্তে ৫০ বোতল ভারতীয় মদসহ আটক ২ জরাজীর্ণ ঘরে ২১ বছরের গবেষণা, উদ্ভাবন করেছেন ধানের ২৫ জাত কলমাকান্দায় স্কুলব্যাগে ভারতীয় মদ, দুই যুবক আটক ৩২ বোতল মদ উদ্ধার, বাজারমূল্য ৭২ হাজার টাকা নেত্রকোণার দুর্গাপুরে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ খুলনায় চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মিলের নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও ক্ষোভ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ: প্রতিরোধ গড়ার অঙ্গীকার স্থানীয়দের শাল্লায় একই পরিবারের ৩ শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তান, চরম কষ্টে দিন কাটছে মা-বাবার মাটির টানে, উদ্ভাবনের শক্তিতে: শেরপুরে ২৫ জাতের ধান উদ্ভাবন সেন্টু কুমার হাজংয়ের
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ষষ্ঠ দিনের অবস্থান কর্মসূচি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি ও বকেয়া বেতনের দাবিতে

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ১৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মীরা।

আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ষষ্ঠ দিনের মতো কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিএইচসিপি পদটি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, প্রশাসনিক জটিলতায় ২০২৩ ব্যাচকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হয়নি। অথচ ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৮ সালের ব্যাচের কর্মীরা একই আইনের আওতায় রাজস্বখাতে স্থায়ী হয়েছেন এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন।

কর্মীরা জানান, বেতন বন্ধ থাকলেও তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, ক্লিনিকের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, “আমরা আইন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত, নিরলসভাবে কাজ করছি। অথচ প্রশাসনিক গাফিলতিতে আমরা পথে বসেছি। স্বাস্থ্যসেবার নামে তৈরি এই কাঠামো এখন কর্মীদের ক্ষুধায় রাখছে। যতক্ষণ পর্যন্ত না বকেয়া বেতন ও রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

আরেক আন্দোলনকারী জহিরুল ইসলাম বলেন বলেন, “আমাদের জন্য রাজস্বখাতে পদ সৃজন করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দিয়েছে, জনপ্রশাসনের অনুমতিও আছে। তবুও আমরা বেতন পাচ্ছি না—এটা কেমন রাষ্ট্রীয় প্রহসন?”

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত বেতন প্রদান, ১৬ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ, ট্রাস্টের সাংগঠনিক কাঠামোয় সৃজিত পদে স্থায়ী নিয়োগ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ফেয়ারডিল ও বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন জব্দ

ষষ্ঠ দিনের অবস্থান কর্মসূচি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি ও বকেয়া বেতনের দাবিতে

আপডেট সময় ০১:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ১৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মীরা।

আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ষষ্ঠ দিনের মতো কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিএইচসিপি পদটি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, প্রশাসনিক জটিলতায় ২০২৩ ব্যাচকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হয়নি। অথচ ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৮ সালের ব্যাচের কর্মীরা একই আইনের আওতায় রাজস্বখাতে স্থায়ী হয়েছেন এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন।

কর্মীরা জানান, বেতন বন্ধ থাকলেও তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, ক্লিনিকের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, “আমরা আইন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত, নিরলসভাবে কাজ করছি। অথচ প্রশাসনিক গাফিলতিতে আমরা পথে বসেছি। স্বাস্থ্যসেবার নামে তৈরি এই কাঠামো এখন কর্মীদের ক্ষুধায় রাখছে। যতক্ষণ পর্যন্ত না বকেয়া বেতন ও রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

আরেক আন্দোলনকারী জহিরুল ইসলাম বলেন বলেন, “আমাদের জন্য রাজস্বখাতে পদ সৃজন করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দিয়েছে, জনপ্রশাসনের অনুমতিও আছে। তবুও আমরা বেতন পাচ্ছি না—এটা কেমন রাষ্ট্রীয় প্রহসন?”

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত বেতন প্রদান, ১৬ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ, ট্রাস্টের সাংগঠনিক কাঠামোয় সৃজিত পদে স্থায়ী নিয়োগ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।