ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা বললেন রিজভী ৬ মাসে বিএনপি সরকার নিদারুণভাবে ব্যর্থ বললেন নাহিদ ইসলাম দেশের অধিকাংশ গাড়ি ফিটনেসবিহীন, হেলপার থেকে ড্রাইভার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়কমন্ত্রী খুলনার চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন: টুঙ্গিপাড়া থেকে এজাহারভুক্ত ২ আসামি গ্রেফতার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ ও সমালোচনার অধিকার সবার বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বলেছেন জামায়াত আমির বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ইউনিয়নে হবে ‘হেলথ হাব’ জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজ দুই কিশোরের মরদেহ পুকুরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার সৌদিতে অবৈধ প্রবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান: এক সপ্তাহে ফেরত পাঠানো হলো ১৩,৭২৪ জন নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট: ৪ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড, জব্দ সাড়ে সাত বস্তা পলিথিন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ছাত্রলীগ নেতাকে কফিশপ থেকে ধরে পুলিশে দিলেন শিক্ষার্থীরা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।গতকাল সোমবার (১২ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সংলগ্ন একটি কফিশফ থেকে তাকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সহায়তায় তাকে ইবি থানায় সোপর্দ করা হয়।

এ সময় থানায় আটক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক শিক্ষার্থী। তিনি ওই ছাত্রলীগ নেতার হাতে গত বছরের জুন মাসে হলে ডেকে নিয়ে মারধর ও ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

থানায় অভিযোগকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম খাইরুল ইসলাম সৌরভ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আটক ছাত্রলীগ নেতার নাম সায়মুম খান। তিনি ইবি শাখা ছাত্রলীগের কৃষিশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

খাইরুল ইসলাম জানান, গত বছরের ৫ জুন তার সহপাঠী সিফাত সিদ্দিকীর মাধ্যমে শেখ রাসেল হলের (বর্তমান নাম শহীদ আনাস হল) ৪০৩ নম্বর কক্ষে তাকে ডেকে নেন সায়মুম হাসান। কক্ষে আসলে কথা বলার অজুহাতে তাকে হলের ছাদে নিয়ে যান সায়মুম। এ সময় সায়মুম খাইরুলকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন এবং তাকে বেপরোয়াভাবে মারধর করতে থাকেন।

পরে সিঁড়ি দিয়ে পালানোর সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় তার হাতে আঘাত পেয়ে রক্তক্ষরণ হয়। পরে এই ঘটনার বিচার চেয়ে তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী খাইরুল। তবে ওই সময় এ ঘটনার কোনো বিচার পাননি বলে জানান তিনি।

জানা যায়, সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি কফিশপে বান্ধবীর সঙ্গে ছিলেন সায়মুম খান। পরে সেখানে তার অবস্থানের বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মিজানের সহায়তায় তাকে ইবি থানায় সোপর্দ করা হয়।

খাইরুল বলেন, আমাকে গত বছর ছাদে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় এবং ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আমি ওই সময় প্রক্টরের নিকট অভিযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি। তাই আমি এবার থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এ বিষয়ে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, শিক্ষার্থীরা ওই ছেলেকে আমাদের হাতে সোপর্দ করে। আমরা জানতে পেরেছি সে (সায়মুম খান) নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা। ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে জড়িত দেখিয়ে তাকে কোর্টে চালান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে কঠোর ব্যবস্থা বললেন রিজভী

ছাত্রলীগ নেতাকে কফিশপ থেকে ধরে পুলিশে দিলেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ১০:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করা হয়েছে।গতকাল সোমবার (১২ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সংলগ্ন একটি কফিশফ থেকে তাকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সহায়তায় তাকে ইবি থানায় সোপর্দ করা হয়।

এ সময় থানায় আটক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক শিক্ষার্থী। তিনি ওই ছাত্রলীগ নেতার হাতে গত বছরের জুন মাসে হলে ডেকে নিয়ে মারধর ও ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

থানায় অভিযোগকারী ওই শিক্ষার্থীর নাম খাইরুল ইসলাম সৌরভ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আটক ছাত্রলীগ নেতার নাম সায়মুম খান। তিনি ইবি শাখা ছাত্রলীগের কৃষিশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

খাইরুল ইসলাম জানান, গত বছরের ৫ জুন তার সহপাঠী সিফাত সিদ্দিকীর মাধ্যমে শেখ রাসেল হলের (বর্তমান নাম শহীদ আনাস হল) ৪০৩ নম্বর কক্ষে তাকে ডেকে নেন সায়মুম হাসান। কক্ষে আসলে কথা বলার অজুহাতে তাকে হলের ছাদে নিয়ে যান সায়মুম। এ সময় সায়মুম খাইরুলকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেন এবং তাকে বেপরোয়াভাবে মারধর করতে থাকেন।

পরে সিঁড়ি দিয়ে পালানোর সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এ সময় তার হাতে আঘাত পেয়ে রক্তক্ষরণ হয়। পরে এই ঘটনার বিচার চেয়ে তৎকালীন প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী খাইরুল। তবে ওই সময় এ ঘটনার কোনো বিচার পাননি বলে জানান তিনি।

জানা যায়, সন্ধ্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন একটি কফিশপে বান্ধবীর সঙ্গে ছিলেন সায়মুম খান। পরে সেখানে তার অবস্থানের বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা সেখানে গিয়ে তাকে ধরে ফেলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মিজানের সহায়তায় তাকে ইবি থানায় সোপর্দ করা হয়।

খাইরুল বলেন, আমাকে গত বছর ছাদে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় এবং ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। আমি ওই সময় প্রক্টরের নিকট অভিযোগ করেও কোনো কাজ হয়নি। তাই আমি এবার থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

এ বিষয়ে ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, শিক্ষার্থীরা ওই ছেলেকে আমাদের হাতে সোপর্দ করে। আমরা জানতে পেরেছি সে (সায়মুম খান) নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা। ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে জড়িত দেখিয়ে তাকে কোর্টে চালান করা হবে।