ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুলনায় শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিফাত গ্রেপ্তার পূর্বধলায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু জয়পুরহাটে ৭৩ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ৪ টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও চা শিল্পকে লাভজনক করতে সরকার কাজ করছে: বাণিজ্যমন্ত্রী ডেমরা হাজী জয়েন উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত পাশেরপুরে সার কালোবাজারি মামলায় ১৫ ডিলার কারাগারে পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেই বের হবে, বাসে ককটেল মারছে কারা বলেছেন রাশেদ খাঁন ১১ দলের লংমার্চে যমুনা সেতুতে কিছু গাড়ির টোল দেওয়া হয়নি বললেন রিজভী ময়মনসিংহে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি’তে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের অংশগ্রহণ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১১:৪০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

অভাব-অনটন যেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়—এ লক্ষ্যেই টাঙ্গাইলে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।

গত ​সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), টাঙ্গাইলের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে মেধাবৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।
​টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. আনিছুর রহমান।

​এ সময় সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), টাঙ্গাইলের উপতত্ত্বাবধায়ক জনাব তানিয়া আক্তার ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শাহ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
​অনুষ্ঠানে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), টাঙ্গাইলের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত তিনজন মেধাবী নিবাসীকে এককালীন ১২ হাজার টাকা করে মোট ৩৬ হাজার টাকা এবং স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত পাঁচজন নিবাসীকে এককালীন ৩০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মেধাবৃত্তির চেক প্রদান করা হয়। মোট আটজন শিক্ষার্থীকে এই সহায়তা দেওয়া হয়।

চেক হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দ ও স্বস্তির ছাপ। তাঁদের চোখে তখন ছিল উচ্চশিক্ষা শেষ করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। আর্থিক সহায়তার এই উদ্যোগ তাদের সেই স্বপ্নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. আনিছুর রহমান বলেন, “আজকের এই মেধাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এটি তাদের স্বপ্নপূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। প্রতিকূলতা কখনো মেধা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসকে থামিয়ে দিতে পারে না। তোমরা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করবে এবং নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

​তিনি আরও বলেন, “সরকারি শিশু পরিবারের শিক্ষার্থীরা সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ গঠনে রাষ্ট্র ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আজ যারা সহায়তা পাচ্ছে, ভবিষ্যতে তারাই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখবে। তোমাদের সাফল্যই হবে এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় অর্জন।”

​টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব শহীদুল্লাহ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া নয়, তাদের স্বপ্ন দেখানো এবং সেই স্বপ্ন পূরণের পথে পাশে থাকা। সরকারি শিশু পরিবারের এসব সন্তান অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের পড়াশোনা যেন কোনোভাবেই অর্থের অভাবে থেমে না যায়, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”

​তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। নিজেদের যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে তারাই সমাজ ও দেশের সম্পদে পরিণত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত রিফাত গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ

আপডেট সময় ১১:৪০:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অভাব-অনটন যেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বপ্নপূরণের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়—এ লক্ষ্যেই টাঙ্গাইলে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে।

গত ​সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), টাঙ্গাইলের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে মেধাবৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।
​টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. আনিছুর রহমান।

​এ সময় সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), টাঙ্গাইলের উপতত্ত্বাবধায়ক জনাব তানিয়া আক্তার ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শাহ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
​অনুষ্ঠানে সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), টাঙ্গাইলের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত তিনজন মেধাবী নিবাসীকে এককালীন ১২ হাজার টাকা করে মোট ৩৬ হাজার টাকা এবং স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত পাঁচজন নিবাসীকে এককালীন ৩০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মেধাবৃত্তির চেক প্রদান করা হয়। মোট আটজন শিক্ষার্থীকে এই সহায়তা দেওয়া হয়।

চেক হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দ ও স্বস্তির ছাপ। তাঁদের চোখে তখন ছিল উচ্চশিক্ষা শেষ করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। আর্থিক সহায়তার এই উদ্যোগ তাদের সেই স্বপ্নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মো. আনিছুর রহমান বলেন, “আজকের এই মেধাবৃত্তি শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, এটি তাদের স্বপ্নপূরণের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা। প্রতিকূলতা কখনো মেধা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসকে থামিয়ে দিতে পারে না। তোমরা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করবে এবং নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

​তিনি আরও বলেন, “সরকারি শিশু পরিবারের শিক্ষার্থীরা সমাজ ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ গঠনে রাষ্ট্র ও সমাজের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আজ যারা সহায়তা পাচ্ছে, ভবিষ্যতে তারাই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখবে। তোমাদের সাফল্যই হবে এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় অর্জন।”

​টাঙ্গাইল জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব শহীদুল্লাহ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া নয়, তাদের স্বপ্ন দেখানো এবং সেই স্বপ্ন পূরণের পথে পাশে থাকা। সরকারি শিশু পরিবারের এসব সন্তান অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের পড়াশোনা যেন কোনোভাবেই অর্থের অভাবে থেমে না যায়, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”

​তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। নিজেদের যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ভবিষ্যতে তারাই সমাজ ও দেশের সম্পদে পরিণত হবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”