ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে অধিগ্রহণকৃত জমি, বাড়ি, দোকানপাট এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনে নানা ধরনের হয়রানি, বৈষম্য ও কর্তৃপক্ষের অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে সিলেটের বিশ্বনাথের চার মৌজাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্বনাথ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সীমানাবর্তী রশিদপুর পয়েন্টে ‘ফরিদপুর, তাজমহরমপুর, রশিদপুর ও আরদিলপুর’ মৌজাবাসীর যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে কর্তৃপক্ষকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একদিকে এই মৌজাগুলোর সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কম ও বৈষম্যমূলক ক্ষতিপূরণের তালিকা তৈরি করা হয়েছে; অন্যদিকে সরকারি উন্নয়ন ও জনসাধারণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে যখন এলাকাবাসী সেই নির্ধারিত টাকা গ্রহণেও ইচ্ছুক, তখন তাদের চরমভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদানেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এলাকাবাসীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে। কর্তৃপক্ষের এই চরম অবহেলার কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের। নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা না পেলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।
বিশ্বনাথ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দয়াল উদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং রশিদপুর জামে মসজিদের কোষাধ্যক্ষ রফিক মিয়ার পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় ভুক্তভোগী শেখ নূর মিয়া, শেখ মো. আজাদ, আব্দুল মান্নান, মঈনুল ইসলাম খান, আবু সাঈদ হিরণ, আব্দুল খালিক, হাজী ফারুক মিয়া, আরজুমন্দ আলী, সুহেল রানা, জুনাব আলী, জাহাঙ্গীর মিয়া, গৌছ আলী এবং নজরুল ইসলাম মনির মেম্বার।মানববন্ধন কর্মসূচিতে সিলেটের বিশ্বনাথ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবেদক, সিলেট 


















