ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে তিতাস নদীর পাড় অবৈধভাবে বালু দিয়ে ভরাটের ঘটনায় প্রশাসনের দেওয়া ১৫ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ভরাট করা বালু অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিতাস নদীর পাড়ে ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে বালু সরিয়ে নেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়।
এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে নদীর পাড় অবৈধভাবে ভরাটের দায়ে আহমেদ গার্ডেন সিটির মালিক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে ভরাট করা বালু ১৫ দিনের মধ্যে নিজ দায়িত্বে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে বালু অপসারণ না করলে তা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।
প্রশাসনের ওই নির্দেশের পর নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিনে বালু অপসারণের কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও অবৈধ ভরাট পুরোপুরি বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, তিতাস নদীর পাড়ে ভেকু দিয়ে ভরাট করা বালু সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, নদীতে ফেলা সব বালু সম্পূর্ণভাবে অপসারণের পাশাপাশি নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণ করে ভবিষ্যতে যাতে কোনো ধরনের দখল বা ভরাট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা প্রয়োজন। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তিতাস ও বুড়ি নদীর প্রকৃত সীমানা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের কথা জানানো হয়েছিল।
নদী দখল ও অবৈধ ভরাটের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ভরাট করা বালু সম্পূর্ণ অপসারণ এবং নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্টাফ রিপোর্টার 


















