ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গজনী সীমান্তে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ তারুন্দিয়ার যোগ্য ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ তারুন্দিয়ার যোগ্য ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ ঈশ্বরগন্জের তারুন্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপ্রার্থী রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ: যোগদানের ২০ দিনেই গৌরীপুরের এসিল্যান্ড প্রত্যাহার কক্সবাজারে সাইফুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে মঞ্চস্থ হবে সেলিম আল দীনের দুই নাটক জাতিসংঘে ট্রাম্পের ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি, উত্তেজনার মধ্যে পেজেশকিয়ানের ভাষণের অপেক্ষা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার শিপ্রার রহস্যজনক মৃত্যুর বিচার দাবিতে যশোরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন মদনে বিনামূল্যে স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাশেরপুরে সার কালোবাজারি মামলায় ১৫ ডিলার কারাগারে

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৫ জন সার ডিলারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় হাজির হওয়া অপর এক আসামিকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার ১৬ জন আসামি হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির একজনের জামিন মঞ্জুর করেন। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাকি ১৫ জনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, তাপস নন্দী, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া ও মো. বাদশা মিয়া।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত ২০ জন আসামিই এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার তাদের মধ্যে ১৬ জন নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত একজনের জামিনের মেয়াদ বহাল থাকায় তা মঞ্জুর করেন এবং বাকি ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহানের নেতৃত্বে একটি দল শেরপুর শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথ বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করে। এ সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই করা হয়।তদন্তে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, অধিক মুনাফার আশায় সরকারি

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গজনী সীমান্তে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ

পাশেরপুরে সার কালোবাজারি মামলায় ১৫ ডিলার কারাগারে

আপডেট সময় ০৯:৩৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৫ জন সার ডিলারকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় হাজির হওয়া অপর এক আসামিকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার ১৬ জন আসামি হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির একজনের জামিন মঞ্জুর করেন। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বাকি ১৫ জনকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, তাপস নন্দী, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া ও মো. বাদশা মিয়া।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার এজাহারভুক্ত ২০ জন আসামিই এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন। মঙ্গলবার তাদের মধ্যে ১৬ জন নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত একজনের জামিনের মেয়াদ বহাল থাকায় তা মঞ্জুর করেন এবং বাকি ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহানের নেতৃত্বে একটি দল শেরপুর শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথ বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করে। এ সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে তদন্ত ও যাচাই-বাছাই করা হয়।তদন্তে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, অধিক মুনাফার আশায় সরকারি