ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য পূর্বধলায় ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন, বাকি ১টি স্বাক্ষর করা তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পের অপব্যবহারের আশঙ্কা, আইনি সুরক্ষা চান হারাধন সূত্রধর কলমাকান্দায় ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে জলাশয়ের মাছ লুট, ইউএনও বরাবর গণ-অভিযোগ প্রতারণার শিকার হয়ে মালয়েশিয়ার অন্ধকার জেলে হাজারো বাংলাদেশি: স্বজনদের আহাজারি, দূতাবাসের কার্যকর ভূমিকার আকুল আবেদন প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য খুলনা সফর উপলক্ষে প্রস্তুতি: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে কেসিসি প্রশাসক পূর্বধলায় আরতি প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসির অভিযানে হেরোইন ও চোলাইমদসহ নারী গ্রেপ্তার বিরোধীদল নয় দিল্লির সঙ্গে সরকার নিজেই আঁতাত করছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম পরওয়ার পূর্বধলায় দুই পূজামণ্ডপে আরতি প্রতিযোগীদের সম্মাননা দিল হারাধন প্রতিবন্ধী মহিলা উন্নয়ন সমিতি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পূর্বধলায় ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন, বাকি ১টি

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে মোট ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটি পূজামণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি। ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় প্রতিমা বিসর্জন বাকি নেই বলে উল্লেখ করা হলেও একটি মণ্ডপে বিসর্জন হয়নি।

গত মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে অধিকাংশ পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে ভক্তরা অশ্রুসিক্ত নয়নে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান। এ সময় পূজামণ্ডপগুলোতে আনন্দ, আবেগ ও সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি হয়।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের মঙ্গলবাড়িয়া বাজারে প্রতি বছরের মতো এবারও একসঙ্গে একাধিক প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পরে প্রতিমাগুলো পৃথকভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ ছাড়া রাজধলা বিল, কংস নদী ও ধলাই নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী প্রতিমা বিসর্জনের চিত্র
পূর্বধলা উপজেলায় মোট পূজামণ্ডপের সংখ্যা ৬৬টি। এর মধ্যে ৬৫টি মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি। ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের তথ্য অনুযায়ী, বিসর্জন বাকি থাকার সংখ্যা শূন্য দেখানো হয়েছে। ফলে একটি মণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন না হওয়ার বিষয়টি এবং ‘বিসর্জন বাকি নেই’—এই দুই তথ্যের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ, পূর্বধলা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত চন্দ্র কর বলেন, “পূর্বধলা উপজেলার ৬৬টি পূজামণ্ডপে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এবারের দুর্গোৎসব আনন্দঘন পরিবেশে উদ্‌যাপিত হয়েছে।”

পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনও জানান, উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।

উৎসবের শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহযোগিতা করে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ায় ভক্ত, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বিজয়া দশমী দেবী দুর্গার বিদায়ের পাশাপাশি অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা বহন করে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য

পূর্বধলায় ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন, বাকি ১টি

আপডেট সময় ১০:২৯:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬ উপলক্ষে মোট ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটি পূজামণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি। ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় প্রতিমা বিসর্জন বাকি নেই বলে উল্লেখ করা হলেও একটি মণ্ডপে বিসর্জন হয়নি।

গত মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে অধিকাংশ পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে ভক্তরা অশ্রুসিক্ত নয়নে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান। এ সময় পূজামণ্ডপগুলোতে আনন্দ, আবেগ ও সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি হয়।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের মঙ্গলবাড়িয়া বাজারে প্রতি বছরের মতো এবারও একসঙ্গে একাধিক প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পরে প্রতিমাগুলো পৃথকভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়। এ ছাড়া রাজধলা বিল, কংস নদী ও ধলাই নদীসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী প্রতিমা বিসর্জনের চিত্র
পূর্বধলা উপজেলায় মোট পূজামণ্ডপের সংখ্যা ৬৬টি। এর মধ্যে ৬৫টি মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে এবং একটি মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়নি। ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের তথ্য অনুযায়ী, বিসর্জন বাকি থাকার সংখ্যা শূন্য দেখানো হয়েছে। ফলে একটি মণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জন না হওয়ার বিষয়টি এবং ‘বিসর্জন বাকি নেই’—এই দুই তথ্যের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ, পূর্বধলা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সঞ্জিত চন্দ্র কর বলেন, “পূর্বধলা উপজেলার ৬৬টি পূজামণ্ডপে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এবারের দুর্গোৎসব আনন্দঘন পরিবেশে উদ্‌যাপিত হয়েছে।”

পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনও জানান, উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।

উৎসবের শুরু থেকে প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহযোগিতা করে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ায় ভক্ত, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বিজয়া দশমী দেবী দুর্গার বিদায়ের পাশাপাশি অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক। একই সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা বহন করে।