ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন গৌরীপুরে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধানের অপেক্ষায় পরিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মামলার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভুয়া চিকিৎসক ও তার সহযোগী আটক

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১৭২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে এক ভুয়া চিকিৎসক ও তার এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনের নিচ তলা থেকে তাদেরকে প্রথমে আটক করেন আনসার সদস্যরা। এরপর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রাখা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভুয়া চিকিৎসকের নাম সজিব দাস পার্থ (২১)। তার বাবার নাম রানেশ চন্দ্র দাস। আর অপরজনের নাম মানিক মিয়া (২২)। মানিকের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া আর সজিব দাসের বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজানগর থানায় বলে জানিয়েছেন তারা। রাতে সজিব দাস নামে ওই যুবক চিকিৎসকদের অ্যাপ্রোন পরে আর তার সাথে থাকা অপর যুবক সিভিলে ২ নম্বর ভবনের নিচে রোগীদের সাথে কথা বলছিলেন। তখন হুইলচেয়ারে বসা কুলসুম বেগম (৫৪) নামে এক রোগীকে হুইলচেয়ার থেকে দাঁড় করিয়ে হাঁটানোর চেষ্টা করেন। তখন ওই রোগী পড়ে যান। রোগীকে ফেলে রেখে পালানোর চেষ্টা করেন তারা। এময় ডিউটিরত আনসার সদস্যদের নজরে আসলে তারা ওই দুই যুবককে ধরে পরিচয় জানতে চান। তখন নিজেদেরকে তারা চিকিৎসক বলে পরিচয় দেন। তবে কোনো আইডি কার্ড বা ভিজিটিং কার্ড দেখাতে পারেননি তারা ওইসময়। তখন সন্দেহ হলে তাদেরকে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়।
 
পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, হাসপাতালের আনসার সদস্যরা ওই দুই যুবককে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। তারা নিজেদের চিকিৎসক বলে দাবি করেছিলেন। বিস্তারিত তদন্তের জন্য তাদেরকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

ভুয়া চিকিৎসক ও তার সহযোগী আটক

আপডেট সময় ১১:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে এক ভুয়া চিকিৎসক ও তার এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনের নিচ তলা থেকে তাদেরকে প্রথমে আটক করেন আনসার সদস্যরা। এরপর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আটকে রাখা হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ভুয়া চিকিৎসকের নাম সজিব দাস পার্থ (২১)। তার বাবার নাম রানেশ চন্দ্র দাস। আর অপরজনের নাম মানিক মিয়া (২২)। মানিকের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া আর সজিব দাসের বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজানগর থানায় বলে জানিয়েছেন তারা। রাতে সজিব দাস নামে ওই যুবক চিকিৎসকদের অ্যাপ্রোন পরে আর তার সাথে থাকা অপর যুবক সিভিলে ২ নম্বর ভবনের নিচে রোগীদের সাথে কথা বলছিলেন। তখন হুইলচেয়ারে বসা কুলসুম বেগম (৫৪) নামে এক রোগীকে হুইলচেয়ার থেকে দাঁড় করিয়ে হাঁটানোর চেষ্টা করেন। তখন ওই রোগী পড়ে যান। রোগীকে ফেলে রেখে পালানোর চেষ্টা করেন তারা। এময় ডিউটিরত আনসার সদস্যদের নজরে আসলে তারা ওই দুই যুবককে ধরে পরিচয় জানতে চান। তখন নিজেদেরকে তারা চিকিৎসক বলে পরিচয় দেন। তবে কোনো আইডি কার্ড বা ভিজিটিং কার্ড দেখাতে পারেননি তারা ওইসময়। তখন সন্দেহ হলে তাদেরকে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়।
 
পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, হাসপাতালের আনসার সদস্যরা ওই দুই যুবককে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসেন। তারা নিজেদের চিকিৎসক বলে দাবি করেছিলেন। বিস্তারিত তদন্তের জন্য তাদেরকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।