ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ পালন সম্মানী ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ মেয়েকে সাপে কাটতেই এক হাতে মেয়ে, অন্য হাতে সেই সাপ! ছুটলেন হাসপাতালে বাবা!! “মা, আমার বুকটা খুব ব্যথা করে, আমাকে বাঁচাও” — হৃদরোগে আক্রান্ত আফরিনের জীবন বাঁচাতে নালিতাবাড়ীতে হৃদরোগে আক্রান্ত আফরিনকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৭ লাখ টাকা প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় কূটনৈতিক চ্যানেলে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী শার্শায় সরকারি সহায়তা পেলেন দুই অসহায় প্রতিবন্ধী মা ও ছেলের ভালোবাসার কবিতা গজনী সীমান্তে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ তারুন্দিয়ার যোগ্য ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ তারুন্দিয়ার যোগ্য ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ ঈশ্বরগন্জের তারুন্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপ্রার্থী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

“মা, আমার বুকটা খুব ব্যথা করে, আমাকে বাঁচাও” — হৃদরোগে আক্রান্ত আফরিনের জীবন বাঁচাতে নালিতাবাড়ীতে হৃদরোগে আক্রান্ত আফরিনকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৭ লাখ টাকা

“মা, আমার বুকটা খুব ব্যথা করে, খুব কষ্ট হয়, আমাকে বাঁচাও…” — তীব্র বুকব্যথায় কাতর হয়ে মায়ের কাছে এভাবেই আর্তনাদ করে ১০ বছর বয়সী শিশু আফরিন আক্তার। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক যন্ত্রণা যেন আরও বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবে দৌড়ঝাঁপ করা, খেলাধুলা করা কিংবা অন্য শিশুদের মতো বেড়ে ওঠা—সবকিছুই আজ তার কাছে স্বপ্নের মতো।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ৪ নম্বর নয়াবিল ইউনিয়নের চাটকিয়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম আফরিনের। বাবা আলতাব হোসেন ও মা সাজেদা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে সে দ্বিতীয়। জন্মের পর থেকেই হৃদপিণ্ডের ভাল্বে ছিদ্রজনিত জটিল রোগে আক্রান্ত আফরিন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে তাকে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চিকিৎসা চললেও দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। কখনো তীব্র বুকব্যথা, কখনো শ্বাসকষ্ট, আবার কখনো দুর্বলতায় কথা বলতেও কষ্ট হয় তার। সম্প্রতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আফরিনকে দ্রুত অস্ত্রোপচার করাতে হবে। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা।

কিন্তু দিনমজুর ও অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব। মেয়ের অসহ্য যন্ত্রণা চোখের সামনে দেখেও অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাবা-মা।

৪ নম্বর নয়াবিল ইউনিয়নের তরুণ সমাজসেবক আরিফ হোসেন বলেন, “মেয়েটির পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র ও অসহায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করছি। আমাদের এলাকার জনপ্রতিনিধি, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও মানবিক মানুষজন এগিয়ে এলে হয়তো আফরিনের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।”

কান্নাজড়িত কণ্ঠে আফরিনের মা সাজেদা বেগম বলেন, “অনেক হাসপাতালে মেয়েকে চিকিৎসা করিয়েছি। ঢাকায় নেওয়ার পর ডাক্তার বলেছেন অপারেশন করতে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাগবে। আমরা খুব গরিব মানুষ, এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। মেয়েটা যখন বুকের ব্যথায় কষ্ট পায়, তখন মা হিসেবে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও প্রবাসী ভাইবোনদের কাছে আমার আকুল আবেদন—আপনারা আমার মেয়েটিকে বাঁচাতে সাহায্য করুন।”

আফরিন হয়তো বুঝতে পারে না অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা থমকে আছে। সে শুধু জানে, বুকের ব্যথা বাড়লে মায়ের বুকে মাথা রেখে কাঁদতে হয়। অথচ সময়মতো চিকিৎসা পেলে সেও অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে পারে।

মানবিক সহায়তা ও সবার আন্তরিক সহযোগিতাই পারে একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন বাঁচাতে। আপনার সামান্য সাহায্যই ফিরিয়ে দিতে পারে আফরিনের মুখের হাসি, এনে দিতে পারে নতুন জীবনের আশা।

আফরিনের চিকিৎসা সংক্রান্ত খোঁজখবর ও আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশ (মা সাজেদা বেগম): ০১৬৩২-০৬৭৭৫৫

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ পালন

“মা, আমার বুকটা খুব ব্যথা করে, আমাকে বাঁচাও” — হৃদরোগে আক্রান্ত আফরিনের জীবন বাঁচাতে নালিতাবাড়ীতে হৃদরোগে আক্রান্ত আফরিনকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৭ লাখ টাকা

আপডেট সময় ১০:১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

“মা, আমার বুকটা খুব ব্যথা করে, খুব কষ্ট হয়, আমাকে বাঁচাও…” — তীব্র বুকব্যথায় কাতর হয়ে মায়ের কাছে এভাবেই আর্তনাদ করে ১০ বছর বয়সী শিশু আফরিন আক্তার। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তার শারীরিক যন্ত্রণা যেন আরও বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবে দৌড়ঝাঁপ করা, খেলাধুলা করা কিংবা অন্য শিশুদের মতো বেড়ে ওঠা—সবকিছুই আজ তার কাছে স্বপ্নের মতো।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ৪ নম্বর নয়াবিল ইউনিয়নের চাটকিয়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারে জন্ম আফরিনের। বাবা আলতাব হোসেন ও মা সাজেদা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে সে দ্বিতীয়। জন্মের পর থেকেই হৃদপিণ্ডের ভাল্বে ছিদ্রজনিত জটিল রোগে আক্রান্ত আফরিন দীর্ঘ ১০ বছর ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চলেছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে তাকে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত চিকিৎসা চললেও দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। কখনো তীব্র বুকব্যথা, কখনো শ্বাসকষ্ট, আবার কখনো দুর্বলতায় কথা বলতেও কষ্ট হয় তার। সম্প্রতি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আফরিনকে দ্রুত অস্ত্রোপচার করাতে হবে। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা।

কিন্তু দিনমজুর ও অসচ্ছল পরিবারের পক্ষে এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা প্রায় অসম্ভব। মেয়ের অসহ্য যন্ত্রণা চোখের সামনে দেখেও অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাবা-মা।

৪ নম্বর নয়াবিল ইউনিয়নের তরুণ সমাজসেবক আরিফ হোসেন বলেন, “মেয়েটির পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র ও অসহায়। আমি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতার চেষ্টা করছি। আমাদের এলাকার জনপ্রতিনিধি, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও মানবিক মানুষজন এগিয়ে এলে হয়তো আফরিনের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে।”

কান্নাজড়িত কণ্ঠে আফরিনের মা সাজেদা বেগম বলেন, “অনেক হাসপাতালে মেয়েকে চিকিৎসা করিয়েছি। ঢাকায় নেওয়ার পর ডাক্তার বলেছেন অপারেশন করতে প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকা লাগবে। আমরা খুব গরিব মানুষ, এত টাকা জোগাড় করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। মেয়েটা যখন বুকের ব্যথায় কষ্ট পায়, তখন মা হিসেবে নিজেকে খুব অসহায় মনে হয়। সমাজের বিত্তবান মানুষ ও প্রবাসী ভাইবোনদের কাছে আমার আকুল আবেদন—আপনারা আমার মেয়েটিকে বাঁচাতে সাহায্য করুন।”

আফরিন হয়তো বুঝতে পারে না অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা থমকে আছে। সে শুধু জানে, বুকের ব্যথা বাড়লে মায়ের বুকে মাথা রেখে কাঁদতে হয়। অথচ সময়মতো চিকিৎসা পেলে সেও অন্য শিশুদের মতো স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে পারে।

মানবিক সহায়তা ও সবার আন্তরিক সহযোগিতাই পারে একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন বাঁচাতে। আপনার সামান্য সাহায্যই ফিরিয়ে দিতে পারে আফরিনের মুখের হাসি, এনে দিতে পারে নতুন জীবনের আশা।

আফরিনের চিকিৎসা সংক্রান্ত খোঁজখবর ও আর্থিক সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা:
বিকাশ (মা সাজেদা বেগম): ০১৬৩২-০৬৭৭৫৫