ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলা কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাটের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন পূর্বধলায় জামায়াতের মামলার প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন উন্নয়নের নতুন অধ্যায়: যশোরে ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাথায় গুরুতর আঘাত: হাসপাতালে ভর্তি আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিকো পাজ পুতিনের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে ৪ বাংলাদেশি হাজির ইন্তেকাল প্রধানমন্ত্রী যশোর পৌঁছলেন পারমাণবিক ইস্যুতে পিছু হটছে না ইরান, খুলছে হরমুজ প্রণালী ​সংকটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল: দিল্লির ধাক্কার পর পাঞ্জাবেও বড় হারের আশঙ্কা প্রেমঘটিত জেরে রণক্ষেত্র এলাকা: পাল্টাপাল্টি হামলা ও বাড়িতে আগুন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যারা নির্বাচিত সরকার চায় না, তারেক রহমান তাদের জন্য বড় বাধা বললেন রুমিন ফারহানা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

যারা নির্বাচিত সরকার চায় না, তাদের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, যারা চায় না বাংলাদেশটা স্থিতিশীলতার দিকে যাক, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটুক, একটি নির্বাচিত সরকার আসুক, যারা চায় বাংলাদেশ আফগানিস্তান বা অন্যান্য রাষ্ট্রের মতো ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হোক, তাদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছেন তারেক রহমান।

গত রবিবার (৩০ নভেম্বর) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমান এখন আর কেবলমাত্রই বিএনপির কাণ্ডারী বা বিএনপির প্রধান হিসেবে যদি আমরা দেখি, তাহলে ভুল করব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রোগ্রেসিভ পলিটিকসের, গণতান্ত্রিক ধারার ও একটা মধ্যপন্থার রাজনীতি আগামীতে টিকতে পারবে কি পারবে না, সেটা অনেকখানি নির্ভর করে তারেক রহমান সুস্থভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবেন কি না তার ওপর। সুতরাং তার দেশে ফিরে আসার প্রশ্নটি কেবলমাত্র তার একক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কিংবা তার ভীষণ রকম অসুস্থ স্বাস্থ্য সংকটে থাকা মায়ের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে অনেক বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য, বাংলাদেশের ভাগ্য কোন দিকে যাবে, সেটার সঙ্গে তার ফেরা না ফেরার একটা ওতপ্রোত সম্পর্ক আছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেকোনো নাগরিকের নিরাপত্তার প্রাথমিক এবং প্রধান দায়িত্ব সরকারের। তারেক রহমান যদি কিছুটা হলেও মনে করেন তার নিরাপত্তার ব্যাপারে ঘাটতি আছে, তিনি অনিরাপদ বোধ করেন, সেটা যেকোনো কারণেই করুক না কেন এর প্রাথমিক দায় সরকারকে নিতে হবে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকার কি আসলে চাইছে যে বাংলাদেশটা গণতন্ত্রের দিকে উত্তরণ ঘটুক? এই প্রশ্ন করছি এ কারণেই, আমরা প্রথমে শুনেছিলাম ডিসেম্বরের তিন-চার তারিখে তফসিল ঘোষণা করা হবে। গতকাল (শনিবার) দেখলাম তফসিল ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সেকেন্ড উইকে তফসিলের ঘোষণা করার একটা সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে কি আদৌ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে? এই প্রশ্নটি আমার না, প্রশ্নটি যার সঙ্গেই দেখা হয়, তিনি নাগরিক সমাজের সদস্য হোক কিংবা একেবারেই সাধারণ খেটে খাওয়া আমার কনস্টিটিউয়েন্সি একজন ভোটার হোক, এই প্রশ্নটি আমাকে সর্বক্ষণ শুনতে হয়।

তিনি বলেন, প্রশ্নটা এ কারণেই শুনতে হয়, নির্বাচন আসার আগে যে এক ধরনের পরিবেশ তৈরি হওয়ার কথা, যে রকম পরিবেশ আমরা ৯১, ৯৬ ও ২০০১ ও ২০০৮-এ দেখেছি, সে রকম কোনো বাতাস কিন্তু আমরা এখন লক্ষ করি না। চারদিকে খুবই থমথমে একটা পরিস্থিতি।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে রাজনীতি নিয়ে খুবই উত্তাপ ছড়াচ্ছিল চারপাশে। এনসিপি জোট হচ্ছে, জোট হচ্ছে না। জামায়াতের বড় বড় হুঙ্কার। গণভোট আগে না হলে তারা নির্বাচনই করবে না কিংবা বিএনপির সঙ্গে কোন দল জোট করছে, কোন দল করছে না। বিএনপির ৬৩টি আসনে কারা মনোনয়ন পাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় যারা মনোনীত হয়ে তাদের মধ্যে কোন্দল। অর্থাৎ নানা রকমভাবে রাজনীতির মাঠটা খুবই উত্তপ্ত ছিল।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, গত কয়েক দিন ধরে রাজনীতির মাঠ একেবারেই শীতল ও ঠাণ্ডা। যারা রাজনীতি বিশ্লেষণ করেন, এমন অনেকে খুবই স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে তারা কোনো নির্বাচন দেখেন না। আমি একজন রাজনীতির ছোট কর্মী হিসেবে আমি মনে করি না দেশে খুব দ্রুত কোনো নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলা কেন্দ্রীয় শ্মশানঘাটের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

যারা নির্বাচিত সরকার চায় না, তারেক রহমান তাদের জন্য বড় বাধা বললেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০২:০১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

যারা নির্বাচিত সরকার চায় না, তাদের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, যারা চায় না বাংলাদেশটা স্থিতিশীলতার দিকে যাক, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটুক, একটি নির্বাচিত সরকার আসুক, যারা চায় বাংলাদেশ আফগানিস্তান বা অন্যান্য রাষ্ট্রের মতো ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হোক, তাদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছেন তারেক রহমান।

গত রবিবার (৩০ নভেম্বর) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমান এখন আর কেবলমাত্রই বিএনপির কাণ্ডারী বা বিএনপির প্রধান হিসেবে যদি আমরা দেখি, তাহলে ভুল করব।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রোগ্রেসিভ পলিটিকসের, গণতান্ত্রিক ধারার ও একটা মধ্যপন্থার রাজনীতি আগামীতে টিকতে পারবে কি পারবে না, সেটা অনেকখানি নির্ভর করে তারেক রহমান সুস্থভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবেন কি না তার ওপর। সুতরাং তার দেশে ফিরে আসার প্রশ্নটি কেবলমাত্র তার একক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত কিংবা তার ভীষণ রকম অসুস্থ স্বাস্থ্য সংকটে থাকা মায়ের পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে অনেক বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য, বাংলাদেশের ভাগ্য কোন দিকে যাবে, সেটার সঙ্গে তার ফেরা না ফেরার একটা ওতপ্রোত সম্পর্ক আছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেকোনো নাগরিকের নিরাপত্তার প্রাথমিক এবং প্রধান দায়িত্ব সরকারের। তারেক রহমান যদি কিছুটা হলেও মনে করেন তার নিরাপত্তার ব্যাপারে ঘাটতি আছে, তিনি অনিরাপদ বোধ করেন, সেটা যেকোনো কারণেই করুক না কেন এর প্রাথমিক দায় সরকারকে নিতে হবে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সরকার কি আসলে চাইছে যে বাংলাদেশটা গণতন্ত্রের দিকে উত্তরণ ঘটুক? এই প্রশ্ন করছি এ কারণেই, আমরা প্রথমে শুনেছিলাম ডিসেম্বরের তিন-চার তারিখে তফসিল ঘোষণা করা হবে। গতকাল (শনিবার) দেখলাম তফসিল ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সেকেন্ড উইকে তফসিলের ঘোষণা করার একটা সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশে কি আদৌ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে? এই প্রশ্নটি আমার না, প্রশ্নটি যার সঙ্গেই দেখা হয়, তিনি নাগরিক সমাজের সদস্য হোক কিংবা একেবারেই সাধারণ খেটে খাওয়া আমার কনস্টিটিউয়েন্সি একজন ভোটার হোক, এই প্রশ্নটি আমাকে সর্বক্ষণ শুনতে হয়।

তিনি বলেন, প্রশ্নটা এ কারণেই শুনতে হয়, নির্বাচন আসার আগে যে এক ধরনের পরিবেশ তৈরি হওয়ার কথা, যে রকম পরিবেশ আমরা ৯১, ৯৬ ও ২০০১ ও ২০০৮-এ দেখেছি, সে রকম কোনো বাতাস কিন্তু আমরা এখন লক্ষ করি না। চারদিকে খুবই থমথমে একটা পরিস্থিতি।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে রাজনীতি নিয়ে খুবই উত্তাপ ছড়াচ্ছিল চারপাশে। এনসিপি জোট হচ্ছে, জোট হচ্ছে না। জামায়াতের বড় বড় হুঙ্কার। গণভোট আগে না হলে তারা নির্বাচনই করবে না কিংবা বিএনপির সঙ্গে কোন দল জোট করছে, কোন দল করছে না। বিএনপির ৬৩টি আসনে কারা মনোনয়ন পাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় যারা মনোনীত হয়ে তাদের মধ্যে কোন্দল। অর্থাৎ নানা রকমভাবে রাজনীতির মাঠটা খুবই উত্তপ্ত ছিল।

বিএনপির এই নেত্রী বলেন, গত কয়েক দিন ধরে রাজনীতির মাঠ একেবারেই শীতল ও ঠাণ্ডা। যারা রাজনীতি বিশ্লেষণ করেন, এমন অনেকে খুবই স্পষ্ট এবং দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছেন, ফেব্রুয়ারিতে তারা কোনো নির্বাচন দেখেন না। আমি একজন রাজনীতির ছোট কর্মী হিসেবে আমি মনে করি না দেশে খুব দ্রুত কোনো নির্বাচন হতে যাচ্ছে।