ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ঘরের ভেতর লুকানো ছিল ৪৮ কেজি গাঁজা নেত্রকোণায় জেলা কাব ক্যাম্পুরীর উদ্বোধন, অংশ নিল কাব স্কাউটরা শেরপুরে জেলা প্রশাসকের গণশুনানি, ১৮০ সেবাপ্রার্থীর মধ্যে আর্থিক সহায়তা পেলেন ১৫১ জন হালুয়াঘাটে আন্তর্জাতিক মানের ফিশ প্রসেসিং জোন স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন সেনাবাহিনী ছাড়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: তিনগুণ নিরাপত্তা ও ড্রোনে নজরদারি নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে থানা পুলিশের প্রস্তুতি সভা গোপালগঞ্জে ৫৭তম বিশ্বমান দিবস পালিত ধামইরহাটে চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ সুজানগর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা পূজামন্ডপসমূহ পরিদর্শন করেন পাবনায় শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ নিরাপত্তায় আনসারের ব্যাপক প্রস্তুতি, সদস্য মোতায়েনে ডিজিটাল পদ্ধতি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হালুয়াঘাটে আন্তর্জাতিক মানের ফিশ প্রসেসিং জোন স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফিশ প্রসেসিং জোন (মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল) স্থাপনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রক্রিয়াজাত মাছ বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি এবং এ খাতের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ পরিদর্শন করা হয়।

গত বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) পরিকল্পনা বিভাগের ব্যবস্থাপক ফখরুল ইসলাম হালুয়াঘাট উপজেলার সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শতাব্দী রায় এবং ৭ নম্বর শাকুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী খান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমর রুবেল ৫২ নম্বর স্মারকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে একটি ডিও (ডেমি-অফিশিয়াল) পত্র পাঠান। ওই পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে হালুয়াঘাট উপজেলায় আধুনিক ফিশ প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপন এবং মৎস্য রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আধুনিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় মৎস্য খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি মৎস্যচাষি ও উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে উৎপাদিত মাছের গুণগত মান সংরক্ষণ, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশের বাজারে মাছ রপ্তানির সুযোগ সম্প্রসারিত হতে পারে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি দেশের মৎস্যসম্পদের কার্যকর ব্যবহার ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পের চূড়ান্ত স্থান নির্বাচন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ঘরের ভেতর লুকানো ছিল ৪৮ কেজি গাঁজা

হালুয়াঘাটে আন্তর্জাতিক মানের ফিশ প্রসেসিং জোন স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন

আপডেট সময় ১১:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফিশ প্রসেসিং জোন (মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল) স্থাপনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রক্রিয়াজাত মাছ বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি এবং এ খাতের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ পরিদর্শন করা হয়।

গত বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) পরিকল্পনা বিভাগের ব্যবস্থাপক ফখরুল ইসলাম হালুয়াঘাট উপজেলার সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শতাব্দী রায় এবং ৭ নম্বর শাকুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী খান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সালমান ওমর রুবেল ৫২ নম্বর স্মারকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে একটি ডিও (ডেমি-অফিশিয়াল) পত্র পাঠান। ওই পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে হালুয়াঘাট উপজেলায় আধুনিক ফিশ প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপন এবং মৎস্য রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আধুনিক মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় মৎস্য খাতের উন্নয়নের পাশাপাশি মৎস্যচাষি ও উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে উৎপাদিত মাছের গুণগত মান সংরক্ষণ, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশের বাজারে মাছ রপ্তানির সুযোগ সম্প্রসারিত হতে পারে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার পাশাপাশি দেশের মৎস্যসম্পদের কার্যকর ব্যবহার ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে প্রকল্পের চূড়ান্ত স্থান নির্বাচন, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।