জেলাসহ নওগাঁর বাজারেও ‘প্যারাসুট’ ব্র্যান্ডের নামে নকল ও ভেজাল নারিকেল তেল বাজারজাতকরণের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। দেখতে অনেকটাই আসল পণ্যের মতো হওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে বিপুল পরিমাণ নীল রঙের বোতল, খালি প্যাকেজিং ও মোড়কের উপস্থিতি দেখা গেছে। এসব ছবি ঘিরে নকল প্রসাধনী পণ্য তৈরির অভিযোগ নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও, ছবিগুলোর স্থান, সময় কিংবা ঘটনার সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাই বিষয়টি চূড়ান্ত যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের বা ভেজাল নারিকেল তেল ব্যবহারে চুল পড়া, মাথার ত্বকে সংক্রমণ, অ্যালার্জি, চুলকানি ও ত্বকের ক্ষতিসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই প্রসাধনী পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ক্রেতাদের জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা:
শুধুমাত্র বিশ্বস্ত ও অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করা।
পণ্যের সিল, লোগো, বানান, ব্যাচ নম্বর, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ ভালোভাবে পরীক্ষা করা।
বাজারমূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম দামের পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকা।
পণ্যের রঙ, গন্ধ বা প্যাকেজিংয়ে কোনো অস্বাভাবিকতা দেখলে তা ব্যবহার না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো।
সম্ভব হলে পণ্য ক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ করা।
ভেজাল ও নকল পণ্য শুধু অর্থনৈতিক প্রতারণাই নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় হুমকি। সচেতনভাবে আসল ও মানসম্মত পণ্য ব্যবহার করা এবং সন্দেহজনক পণ্যের বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা প্রয়োজন।

স্টাফ রিপোর্টার 



















