ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ বললেন রিজভী পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গোপালগঞ্জ-ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি পুনর্বিবেচনার দাবি

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

​গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটের ট্রেন সার্ভিসের সময়সূচি পরিবর্তনের জোর দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমান সময়সূচি যাত্রীসাধারণ—বিশেষ করে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

​যাত্রী ও স্থানীয়দের প্রস্তাব অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ট্রেন ছেড়ে গেলে এবং ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ফিরতি ট্রেন চালু করা হলে যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। এই সময়সূচি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ যাত্রীরা সকালে ঢাকায় পৌঁছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জরুরি কাজ শেষ করে একই দিনে গোপালগঞ্জে ফিরতে পারবেন।

​উপযুক্ত সময়সূচির অভাবে বর্তমানে বহু মানুষকে ঢাকায় এসে কাজ শেষ করার পরও রাত যাপন করতে হচ্ছে, যা অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হলে যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘব হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

​এদিকে গোপালগঞ্জের ব্যবসায়ীরা সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। জেলাটিতে সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার হওয়ায় তারা জানান, ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবার করা হলে ব্যবসায়ীরা সহজেই ঢাকায় গিয়ে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও ব্যবসায়িক কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

​গোপালগঞ্জবাসীর এক ও অভিন্ন দাবি—একটি সময়োপযোগী ট্রেন সার্ভিস, ভোগান্তিমুক্ত যাত্রা এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দ্রুত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা

গোপালগঞ্জ-ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি পুনর্বিবেচনার দাবি

আপডেট সময় ১০:৩০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

​গোপালগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটের ট্রেন সার্ভিসের সময়সূচি পরিবর্তনের জোর দাবি উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমান সময়সূচি যাত্রীসাধারণ—বিশেষ করে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, রোগী ও ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

​যাত্রী ও স্থানীয়দের প্রস্তাব অনুযায়ী, গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ট্রেন ছেড়ে গেলে এবং ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ফিরতি ট্রেন চালু করা হলে যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। এই সময়সূচি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ যাত্রীরা সকালে ঢাকায় পৌঁছে সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জরুরি কাজ শেষ করে একই দিনে গোপালগঞ্জে ফিরতে পারবেন।

​উপযুক্ত সময়সূচির অভাবে বর্তমানে বহু মানুষকে ঢাকায় এসে কাজ শেষ করার পরও রাত যাপন করতে হচ্ছে, যা অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হলে যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘব হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

​এদিকে গোপালগঞ্জের ব্যবসায়ীরা সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। জেলাটিতে সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার হওয়ায় তারা জানান, ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবারের পরিবর্তে শনিবার করা হলে ব্যবসায়ীরা সহজেই ঢাকায় গিয়ে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও ব্যবসায়িক কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

​গোপালগঞ্জবাসীর এক ও অভিন্ন দাবি—একটি সময়োপযোগী ট্রেন সার্ভিস, ভোগান্তিমুক্ত যাত্রা এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দ্রুত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ।