ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন পূর্বধলায় ভূমি কার্যালয়ে চুরি, তদন্তে সিআইডির ক্রাইম সিন দল পূর্বধলায় ভূমি কার্যালয়ে চুরি, তদন্তে সিআইডির ক্রাইম সিন দল
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ

ময়মনসিংহ অঞ্চলে গত তিন বছরে পাঁচজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি ঘিরে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। একের পর এক হত্যাকাণ্ড, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে সাত দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।

আগামী ২ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে জামালপুর জেলা ও ময়মনসিংহ নগরীতেও কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছেন পাঁচ নিহত সাংবাদিক নেত্রকোনার দুর্গাপুরের লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির, জামালপুরের বকশীগঞ্জের গোলাম রব্বানী নাদিম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শেলু আকন্দ, গাজীপুরে নিহত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিন এবং ময়মনসিংহ নগরীতে নিহত সাংবাদিক স্বপন ভট্টাচার্য।

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী, বিচার কত দূর?
সাংবাদিক হত্যার প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ, হামলাকারীদের পরিচয়, সম্ভাব্য পরিকল্পনাকারীদের ভূমিকা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি।
বিশেষ করে অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক হুমকির মুখে পড়েছিলেন কি না, আগেই নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এছাড়াও ময়মনসিং অঞ্চলে ৪ জেলায় সাংবাদিকরা হুমকির জিডি করলে পুলিশ কি ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন এ ঘটনায় ৩ জন সিনিয়র সাংবাদিক দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ১৫ দিনের মধ্যে ৪ জেলায় পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের বিচার কি অবস্থায় আছে এবং কতগুলো জিডি হয়েছে এবং হুমদাতাদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কি ব্যবস্থা নিয়েছেন সব ঘটনা তদন্ত কমিটি তুলে নিয়ে আসবে।

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এসব প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হত্যার আগে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং এর আগে হামলার শিকারও হয়েছিলেন। তাঁর হত্যার সঙ্গে পূর্ববর্তী হামলা কিংবা তাঁর সাংবাদিকতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।বিচারহীনতার আশঙ্কা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠেছে।

সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির মনোভাব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, দুর্নীতি ও অপরাধের সংবাদ প্রকাশ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য উদ্‌ঘাটনের কাজও ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তবে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা, আসামিদের গ্রেপ্তার, অভিযোগপত্র দাখিল কিংবা বিচার শুরুর তথ্য এক নয়। তাই প্রতিটি মামলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।
তিন জেলায় কর্মসূচি, সাত দফায় প্রতিবাদ

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের ঘোষিত কর্মসূচির প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হবে ২ নভেম্বর সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের সুবিধার্থে সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড় থেকে দুটি বাস ছাড়ার কথা জানিয়েছে আয়োজকরা। বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও সাংবাদিকেরা নিজস্ব পরিবহনে অংশ নেবেন।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেছেন, সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা আরও হুমকির মুখে পড়বে। তাঁদের দাবি, প্রতিহিংসা নয় আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
যে দাবিগুলো সামনে আসছে:

আন্দোলন থেকে হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িত ও পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হুমকির অভিযোগ দ্রুত তদন্ত এবং ঝুঁকিতে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ দল-মত ও সাংগঠনিক বিভেদ ভুলে সব সাংবাদিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমকর্মীকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
পাঁচ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ঘোষিত এ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর চাপ তৈরি করতে পারে, তা নির্ভর করবে সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর প্রকৃত অগ্রগতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ

পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ

আপডেট সময় ১১:৩৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহ অঞ্চলে গত তিন বছরে পাঁচজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি ঘিরে নতুন করে সংগঠিত হচ্ছেন সাংবাদিকরা। একের পর এক হত্যাকাণ্ড, সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্নের মধ্যে সাত দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ।

আগামী ২ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ আন্দোলন শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে জামালপুর জেলা ও ময়মনসিংহ নগরীতেও কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছেন পাঁচ নিহত সাংবাদিক নেত্রকোনার দুর্গাপুরের লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির, জামালপুরের বকশীগঞ্জের গোলাম রব্বানী নাদিম, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শেলু আকন্দ, গাজীপুরে নিহত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিন এবং ময়মনসিংহ নগরীতে নিহত সাংবাদিক স্বপন ভট্টাচার্য।

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী, বিচার কত দূর?
সাংবাদিক হত্যার প্রতিটি ঘটনার পেছনের কারণ, হামলাকারীদের পরিচয়, সম্ভাব্য পরিকল্পনাকারীদের ভূমিকা এবং বিচারপ্রক্রিয়ার অগ্রগতি আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা জরুরি।
বিশেষ করে অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিক হুমকির মুখে পড়েছিলেন কি না, আগেই নিরাপত্তা চেয়েছিলেন কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছিল এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এছাড়াও ময়মনসিং অঞ্চলে ৪ জেলায় সাংবাদিকরা হুমকির জিডি করলে পুলিশ কি ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছেন এ ঘটনায় ৩ জন সিনিয়র সাংবাদিক দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা ১৫ দিনের মধ্যে ৪ জেলায় পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের বিচার কি অবস্থায় আছে এবং কতগুলো জিডি হয়েছে এবং হুমদাতাদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কি ব্যবস্থা নিয়েছেন সব ঘটনা তদন্ত কমিটি তুলে নিয়ে আসবে।

নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এসব প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হত্যার আগে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এবং এর আগে হামলার শিকারও হয়েছিলেন। তাঁর হত্যার সঙ্গে পূর্ববর্তী হামলা কিংবা তাঁর সাংবাদিকতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।বিচারহীনতার আশঙ্কা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন উঠেছে।

সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হলে অপরাধীদের মধ্যে দায়মুক্তির মনোভাব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, দুর্নীতি ও অপরাধের সংবাদ প্রকাশ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য উদ্‌ঘাটনের কাজও ঝুঁকির মুখে পড়ে।

তবে পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা, আসামিদের গ্রেপ্তার, অভিযোগপত্র দাখিল কিংবা বিচার শুরুর তথ্য এক নয়। তাই প্রতিটি মামলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।
তিন জেলায় কর্মসূচি, সাত দফায় প্রতিবাদ

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের ঘোষিত কর্মসূচির প্রথম ধাপ অনুষ্ঠিত হবে ২ নভেম্বর সকাল ১১টায় নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সামনে। অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের সুবিধার্থে সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ নগরীর পাটগুদাম ব্রিজ মোড় থেকে দুটি বাস ছাড়ার কথা জানিয়েছে আয়োজকরা। বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও সাংবাদিকেরা নিজস্ব পরিবহনে অংশ নেবেন।

সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল আলম রফিক বলেছেন, সাংবাদিক হত্যা ও নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা আরও হুমকির মুখে পড়বে। তাঁদের দাবি, প্রতিহিংসা নয় আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
যে দাবিগুলো সামনে আসছে:

আন্দোলন থেকে হত্যাকাণ্ডগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িত ও পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হুমকির অভিযোগ দ্রুত তদন্ত এবং ঝুঁকিতে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ দল-মত ও সাংগঠনিক বিভেদ ভুলে সব সাংবাদিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমকর্মীকে কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
পাঁচ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ঘোষিত এ কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কতটা কার্যকর চাপ তৈরি করতে পারে, তা নির্ভর করবে সাংবাদিক সমাজের ঐক্য, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর প্রকৃত অগ্রগতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিচার বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপের ওপর।