ময়মনসিংহ , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ত্রিশাল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ সম্প্রচারে ২০২২ সালে ১৪০ কোটির দুর্নীতি, এবারে খরচ প্রায় শূন্য জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন পূর্ণতা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী ময়মনসিংহের গৌরীপুরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক, সড়ক অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাই বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ‘এডুকেশন হাব’বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী শহীদ জিয়া হত্যা: ৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার খুনি মোজাফফরের জবানবন্দিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য ​ঢাকায় আইএলও মহাপরিচালক: দুই দিনের সফরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা মাদারীপুরে , স্বামী আটক যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬ সীতাকুণ্ডে চীনা তরুণীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন: ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও বিয়ে নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ বিশ্ব বাবা দিবস

‘বাবা’ কেবল একটি শব্দ নয়, একটি ভরসার স্থান, এক টুকরো বটবৃক্ষ। সন্তানের মাথার ওপর তপ্ত রোদে শীতল ছায়া দেওয়া সেই মানুষটিকে ভালোবাসার দিন আজ। আজ জুন মাসের তৃতীয় রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আনুষ্ঠানিকতা, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

​যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা কোনো নির্দিষ্ট দিনের ফ্রেমে বন্দি নয়, তবুও প্রতি বছর এই দিনটি আসে বাবাদের বিশেষভাবে সম্মান জানাতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বাস্তব জীবন সবখানেই আজ সন্তানরা তাদের বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

দিবসের ইতিহাস,
​ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম বাবা দিবস উদযাপিত হয় আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টেটের স্পোকেন শহরের ওল্ড সেন্ট্রাল চার্চে। ডোড স্মার্ট নামের এক নারীর একক প্রচেষ্টায় দিবসটি সূচিত হয়। ১৯৯৬ সালে তাঁর মা সন্তান প্রসবের সময় মারা গেলে বাবা উইলিয়াম স্মার্ট তাঁকেসহ তাঁর ৬ ভাইবোনকে একাই বড় করেন। বাবার এই অসামান্য ত্যাগকে সম্মান জানাতেই ডোড স্মার্ট এই উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশে উদযাপন,
​আজকের এই বিশেষ দিনে বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের নানা চিত্র দেখা যাচ্ছে। কেউ বাবাকে ফুল, পছন্দের পোশাক কিংবা কার্ড উপহার দিচ্ছেন, আবার কেউ দূর প্রবাস বা কর্মস্থল থেকে ফোনে বাবার কণ্ঠ শুনে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো আজ সেজেছে বাবা ও সন্তানের স্মৃতিকাতর সব ছবিতে।

​তবে যাদের বাবা আজ আর ইহজগতে নেই, তাদের জন্য দিনটি পরম বেদনার। অনেক সন্তানই আজ মাটির নিচে শুয়ে থাকা বাবার মাগফেরাত কামনায় মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করছেন। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বাবাদের খোঁজ নিতেও দেখা গেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে।
​”পৃথিবীর সব বাবার ত্যাগ আর ভালোবাসা হোক সম্মানিত। সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কেবল একটি দিনে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষণে বাবার পাশে থাকা, তাঁদের মুখে হাসি ফোটানো।”

​একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে এবং সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বাবারা আজীবন যে ত্যাগ স্বীকার করেন, আজকের দিনে তাঁদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র সালাম। বিশ্বের সকল বাবার জীবন হোক সুন্দর ও সুস্থ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রিশাল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ বিশ্ব বাবা দিবস

আপডেট সময় ১১:৫৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

‘বাবা’ কেবল একটি শব্দ নয়, একটি ভরসার স্থান, এক টুকরো বটবৃক্ষ। সন্তানের মাথার ওপর তপ্ত রোদে শীতল ছায়া দেওয়া সেই মানুষটিকে ভালোবাসার দিন আজ। আজ জুন মাসের তৃতীয় রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আনুষ্ঠানিকতা, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

​যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা কোনো নির্দিষ্ট দিনের ফ্রেমে বন্দি নয়, তবুও প্রতি বছর এই দিনটি আসে বাবাদের বিশেষভাবে সম্মান জানাতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বাস্তব জীবন সবখানেই আজ সন্তানরা তাদের বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

দিবসের ইতিহাস,
​ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম বাবা দিবস উদযাপিত হয় আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টেটের স্পোকেন শহরের ওল্ড সেন্ট্রাল চার্চে। ডোড স্মার্ট নামের এক নারীর একক প্রচেষ্টায় দিবসটি সূচিত হয়। ১৯৯৬ সালে তাঁর মা সন্তান প্রসবের সময় মারা গেলে বাবা উইলিয়াম স্মার্ট তাঁকেসহ তাঁর ৬ ভাইবোনকে একাই বড় করেন। বাবার এই অসামান্য ত্যাগকে সম্মান জানাতেই ডোড স্মার্ট এই উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশে উদযাপন,
​আজকের এই বিশেষ দিনে বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের নানা চিত্র দেখা যাচ্ছে। কেউ বাবাকে ফুল, পছন্দের পোশাক কিংবা কার্ড উপহার দিচ্ছেন, আবার কেউ দূর প্রবাস বা কর্মস্থল থেকে ফোনে বাবার কণ্ঠ শুনে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো আজ সেজেছে বাবা ও সন্তানের স্মৃতিকাতর সব ছবিতে।

​তবে যাদের বাবা আজ আর ইহজগতে নেই, তাদের জন্য দিনটি পরম বেদনার। অনেক সন্তানই আজ মাটির নিচে শুয়ে থাকা বাবার মাগফেরাত কামনায় মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করছেন। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বাবাদের খোঁজ নিতেও দেখা গেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে।
​”পৃথিবীর সব বাবার ত্যাগ আর ভালোবাসা হোক সম্মানিত। সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কেবল একটি দিনে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষণে বাবার পাশে থাকা, তাঁদের মুখে হাসি ফোটানো।”

​একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে এবং সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বাবারা আজীবন যে ত্যাগ স্বীকার করেন, আজকের দিনে তাঁদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র সালাম। বিশ্বের সকল বাবার জীবন হোক সুন্দর ও সুস্থ।