ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কুকুরের ভয়াবহ উৎপাত

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিন দিন বেড়ে চলেছে কুকুরের উৎপাত। খাবার ক্যান্টিন থেকে খেলার মাঠ, একাডেমিক ভবন থেকে আবাসিক ভবন সব জায়গাতেই অবাধ বিচরণ করছে অসংখ্য কুকুর। বিভিন্ন সময় কুকুরের আক্রমণ ও ধাওয়া খেয়ে শিক্ষার্থীরা আহত হচ্ছেন, নাজেহাল হচ্ছেন প্রতিদিনই।

বেওয়ারিশ কুকুরের এমন উৎপাত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের কয়েকজনের বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মুন্নি ইসলাম ২৬ সেপ্টেম্বর লিখেছেন, 

  

”সকালে গোসল শেষে বাথরুম থেকে বের হয়েই দেখি ৫টা কুকুর চেঁচামেচি করছে। কিছু না বললেও একটি কুকুর আমার দিকে তেড়ে আসে। ছোটবেলার তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে কুকুর দেখলেই ভীষণ ভয় পাই। সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, চোখ অন্ধকার হয়ে আসে, মাথা ঘোরায়। প্যানিক অ্যাটাক হওয়ায় সহপাঠীরা আমাকে দ্রুত মেডিকেলে নিয়ে যায়। ডাক্তার অক্সিজেন, ইনজেকশন ও নেবুলাইজার দেন।”

 

আরেক শিক্ষার্থী ফারহানা তন্নি লিখেছেন,
’ক্যাম্পাসে কুকুরগুলো খুবই এগ্রেসিভ হয়ে গেছে। নিজের ক্যাম্পাসেই এখন নিরাপদ মনে হচ্ছে না। সকালের দিকে একা বের হলে কুকুররা দল বেঁধে তেড়ে আসে। এ অবস্থায় কীভাবে সেফ ফিল করবো?’
 
 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মঈনুল ইসলাম শান্তনু লিখেছেন,
’আজ ক্যাম্পাসের পরিবেশ কুকুরের উৎপাতের কারণে আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাফেটেরিয়া, অদম্য বাংলা মোড়, হল এলাকা কিংবা একাডেমিক ভবন যত্রতত্র কুকুর ঘোরাফেরা করছে। ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই এক ধরনের ভয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।’
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত ২৩ সেপ্টেম্বর লিখেছেন, 
  

”বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও পাড়ায় এখন অনেক রাস্তার কুকুর দেখা যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের কুকুর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হাইকোর্টের রায়ের কারণে বন্ধ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুকুরপ্রেমী জনগোষ্ঠীর চাপ। গতকালও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে কুকুর কামড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অসহায় একদিকে পশুপ্রেমী, অন্যদিকে আদালতের রায়। তাহলে শিক্ষার্থীরা কুকুরের আক্রমণ থেকে কীভাবে বাঁচবে?”

 

শিক্ষার্থীরা বলছেন, আলোচনার বাইরে গিয়ে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন এ সমস্যার সমাধান করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কুকুরের ভয়াবহ উৎপাত

আপডেট সময় ১১:০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিন দিন বেড়ে চলেছে কুকুরের উৎপাত। খাবার ক্যান্টিন থেকে খেলার মাঠ, একাডেমিক ভবন থেকে আবাসিক ভবন সব জায়গাতেই অবাধ বিচরণ করছে অসংখ্য কুকুর। বিভিন্ন সময় কুকুরের আক্রমণ ও ধাওয়া খেয়ে শিক্ষার্থীরা আহত হচ্ছেন, নাজেহাল হচ্ছেন প্রতিদিনই।

বেওয়ারিশ কুকুরের এমন উৎপাত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের কয়েকজনের বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মুন্নি ইসলাম ২৬ সেপ্টেম্বর লিখেছেন, 

  

”সকালে গোসল শেষে বাথরুম থেকে বের হয়েই দেখি ৫টা কুকুর চেঁচামেচি করছে। কিছু না বললেও একটি কুকুর আমার দিকে তেড়ে আসে। ছোটবেলার তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে কুকুর দেখলেই ভীষণ ভয় পাই। সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, চোখ অন্ধকার হয়ে আসে, মাথা ঘোরায়। প্যানিক অ্যাটাক হওয়ায় সহপাঠীরা আমাকে দ্রুত মেডিকেলে নিয়ে যায়। ডাক্তার অক্সিজেন, ইনজেকশন ও নেবুলাইজার দেন।”

 

আরেক শিক্ষার্থী ফারহানা তন্নি লিখেছেন,
’ক্যাম্পাসে কুকুরগুলো খুবই এগ্রেসিভ হয়ে গেছে। নিজের ক্যাম্পাসেই এখন নিরাপদ মনে হচ্ছে না। সকালের দিকে একা বের হলে কুকুররা দল বেঁধে তেড়ে আসে। এ অবস্থায় কীভাবে সেফ ফিল করবো?’
 
 খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মঈনুল ইসলাম শান্তনু লিখেছেন,
’আজ ক্যাম্পাসের পরিবেশ কুকুরের উৎপাতের কারণে আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যাফেটেরিয়া, অদম্য বাংলা মোড়, হল এলাকা কিংবা একাডেমিক ভবন যত্রতত্র কুকুর ঘোরাফেরা করছে। ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই এক ধরনের ভয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।’
 
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদাত ২৩ সেপ্টেম্বর লিখেছেন, 
  

”বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও পাড়ায় এখন অনেক রাস্তার কুকুর দেখা যাচ্ছে। সিটি কর্পোরেশনের কুকুর নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম হাইকোর্টের রায়ের কারণে বন্ধ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কুকুরপ্রেমী জনগোষ্ঠীর চাপ। গতকালও বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে কুকুর কামড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অসহায় একদিকে পশুপ্রেমী, অন্যদিকে আদালতের রায়। তাহলে শিক্ষার্থীরা কুকুরের আক্রমণ থেকে কীভাবে বাঁচবে?”

 

শিক্ষার্থীরা বলছেন, আলোচনার বাইরে গিয়ে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন এ সমস্যার সমাধান করা হয়।