ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি পূজায় মদ খেয়ে নাচানাচি করলে ঘাড় ধরে নিয়ে আসব: ফেনীর পুলিশ সুপার ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতা’ কঠোরভাবে দমন করা হবে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও আবাসন সংকট নিয়ে আলোচনা নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫০ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী শারদীয় দুর্গাপূজায় সর্বাত্মক নিরাপত্তার আশ্বাস রেঞ্জ ডিআইজি জাহিদুল হাসানের নালিতাবাড়ী সীমান্তে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকার ভারতীয় মদ জব্দ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পেলেন পাবনার মো: ইমরান হুসাইন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নির্বাচনের কথা বললেই ভারত-আওয়ামী লীগের দালাল বানিয়ে দিচ্ছে বললেন দুদু

‘নির্বাচনের কথা বললেই দোষ হয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের কথা বললে ভারতের দালাল, আওয়ামী লীগের দালাল বানিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু যারা নির্বাচন ঠেকাতে চায় তারা কি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বাধা দিচ্ছে না? নির্বাচন না হলে নির্বাচিত সরকার না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে কীভাবে? দেশে প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে, দেশের জনগণকে ভালো রাখতে হলে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে হলে অতি জরুরি নির্বাচিত সরকার দরকার।’

গত সোমবার (২ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলেও মন্তব্য করেন এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে ডিসেম্বরের মধ্যে যদি নির্বাচিত সরকার না আসে, তাহলে দেশের মানুষের কপালে খারাপই আছে।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বৈরাশাসকের পতন ঘটিয়েছি। কিন্তু সেই গণতন্ত্র কীভাবে ঠেকানো যায় তার একটি উদ্যোগ আস্তে আস্তে উন্মোচিত হচ্ছে আমাদের সামনে। যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান রক্ষার আন্দোলনের সঙ্গে ছিল তাদেরই একটা অংশ নতুন করে তৈরি হয়েছে যারা নিজেদের গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী দাবি করে। কিন্তু তারা গণতন্ত্রের পক্ষে, নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়ায় না। শেখ হাসিনা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গত ১৫-১৬ বছর বিএনপি লড়াই-সংগ্রাম করেছে।

জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিবুর রহমান হাবিবসহ অন্যরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি

নির্বাচনের কথা বললেই ভারত-আওয়ামী লীগের দালাল বানিয়ে দিচ্ছে বললেন দুদু

আপডেট সময় ১১:২১:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

‘নির্বাচনের কথা বললেই দোষ হয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের কথা বললে ভারতের দালাল, আওয়ামী লীগের দালাল বানিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু যারা নির্বাচন ঠেকাতে চায় তারা কি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বাধা দিচ্ছে না? নির্বাচন না হলে নির্বাচিত সরকার না হলে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে কীভাবে? দেশে প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে, দেশের জনগণকে ভালো রাখতে হলে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে হলে অতি জরুরি নির্বাচিত সরকার দরকার।’

গত সোমবার (২ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলেও মন্তব্য করেন এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে ডিসেম্বরের মধ্যে যদি নির্বাচিত সরকার না আসে, তাহলে দেশের মানুষের কপালে খারাপই আছে।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বৈরাশাসকের পতন ঘটিয়েছি। কিন্তু সেই গণতন্ত্র কীভাবে ঠেকানো যায় তার একটি উদ্যোগ আস্তে আস্তে উন্মোচিত হচ্ছে আমাদের সামনে। যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান রক্ষার আন্দোলনের সঙ্গে ছিল তাদেরই একটা অংশ নতুন করে তৈরি হয়েছে যারা নিজেদের গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী দাবি করে। কিন্তু তারা গণতন্ত্রের পক্ষে, নির্বাচনের পক্ষে দাঁড়ায় না। শেখ হাসিনা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে ফেলেছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গত ১৫-১৬ বছর বিএনপি লড়াই-সংগ্রাম করেছে।

জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিবুর রহমান হাবিবসহ অন্যরা।