ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী হাসনাত- সারজিস গণঅভ্যুত্থানের সাথে বেইমানি করার কারণে ছাত্র উপদেষ্টা হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন লন্ডনে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রামের মেজবান অনুষ্ঠিত শিক্ষককে ভিডিও ছড়িয়ে হেনস্তা, আইনি পদক্ষেপ পূর্বধলার সমস্যা ও অভিযোগ সরাসরি জানাতে এমপি মানসুরার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পূর্বধলা থানা পরিদর্শন করলেন নেত্রকোণার পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম স্টার বয়েজকে হারিয়ে পূর্বধলা প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দয়াল স্কোয়াড নেত্রকোণায় ৫ দিনব্যাপী ‘ভূমি ব্যবস্থাপনা কোর্স’ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন পূর্বধলায় পুকুরে ডুবে ৪ বছরের শিশুর করুণ মৃত্যু
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেতা আজহারের আপিল শুনানি মঙ্গলবার

  • স্টাফ রির্পোটার
  • আপডেট সময় ১১:৩৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের শুনানি মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (২১ এপ্রিল) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।

আজহারের পক্ষে শুনানির আবেদন করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী ও আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রিভিউ আবেদনের প্রথম দিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ শুনানির জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে। কিন্তু বেঞ্চে একজন বিচারপতি অনুপস্থিত থাকায় শুনানি পেছানো হয়। পরে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে মঙ্গলবার শুনানির সিদ্ধান্ত হয়।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন আজহার।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুর অঞ্চলে ১,২৫৬ জনকে হত্যা বা গণহত্যা, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক ও নির্যাতন এবং অসংখ্য বাড়িঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ ছয় ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। ট্রাইব্যুনাল পাঁচটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন।

তবে জামায়াতে ইসলামী এ রায়কে ‘প্রহসনের রায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আজহারকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। ওই সময় আপিল বিভাগে ৯০ পৃষ্ঠার মূল আপিল এবং ২,৩৪০ পৃষ্ঠার ডকুমেন্টস দাখিল করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি

নেতা আজহারের আপিল শুনানি মঙ্গলবার

আপডেট সময় ১১:৩৮:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের শুনানি মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (২১ এপ্রিল) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।

আজহারের পক্ষে শুনানির আবেদন করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী ও আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রিভিউ আবেদনের প্রথম দিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ শুনানির জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে। কিন্তু বেঞ্চে একজন বিচারপতি অনুপস্থিত থাকায় শুনানি পেছানো হয়। পরে নতুন তারিখ নির্ধারণ করে মঙ্গলবার শুনানির সিদ্ধান্ত হয়।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায় দেন। এরপর এই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেন আজহার।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুর অঞ্চলে ১,২৫৬ জনকে হত্যা বা গণহত্যা, ১৭ জনকে অপহরণ, একজনকে ধর্ষণ, ১৩ জনকে আটক ও নির্যাতন এবং অসংখ্য বাড়িঘরে লুণ্ঠন ও অগ্নিসংযোগসহ ছয় ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। ট্রাইব্যুনাল পাঁচটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন।

তবে জামায়াতে ইসলামী এ রায়কে ‘প্রহসনের রায়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে আসছে। ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আজহারকে নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়ে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। ওই সময় আপিল বিভাগে ৯০ পৃষ্ঠার মূল আপিল এবং ২,৩৪০ পৃষ্ঠার ডকুমেন্টস দাখিল করা হয়।