ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভারতে উদ্ধার বাংলাদেশি কিশোরী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে সেখানকার পুলিশ। 

ঘটনাটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সক্রিয় আন্তঃদেশীয় মানব পাচার চক্রের বিষয়টিকে ফের নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। খবর, তেলেঙ্গানা টুডে’র।

দক্ষিণী এ রাজ্যটিতে বাংলাদেশি নারী উদ্ধারের ঘটনা এটিই প্রথমবার নয়। খাইরতাবাদ, চাদেরঘাট ও বান্দলাগুডার বিভিন্ন যৌনপল্লি থেকে এর আগে একাধিকবার তাদের উদ্ধার করেছে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মূলত চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকের একেবারে শুরু থেকেই (২০০০-০১) সংঘবদ্ধ মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব যৌনপল্লিতে আটকে পড়া নারীদের উদ্ধার করছে পুলিশ। শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, উজবেকিস্তান, রাশিয়া, ইউক্রেন, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল থেকেও নারীদের এনে এই পেশায় নামানো হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাচারের ক্ষেত্রে, পাচারের শিকার নারীরা সীমান্তে এজেন্টদের সাহায্য নিয়ে স্থল বা নৌপথে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ভারত ও বাংলাদেশে থাকা পাচার চক্রের হোতাদের নেটওয়ার্ক খুবই শক্তিশালী। তারা দালাল ও অন্যদের অর্থের ব্যবস্থা করে থাকে।ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে চরম দারিদ্র্য রয়েছে। শিকার বা মাছ ধরার ছদ্মবেশে এজেন্টরা অসহায় নারী বা কিশোরীদের খুঁজে বের করে। এরপর তাদেরকে ভালো জীবিকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতে আসতে প্ররোচিত করে। ভারতে আসার পর স্থানীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে তাদেরকে বিভিন্ন শহরে পাঠিয়ে দেয়া হয় যেখানে এই পেশায় তাদের বাধ্য করা হয় কাজ করতে।রাজ্য পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, দারিদ্র্যের কারণে বাংলাদেশ থেকে পুরুষ, নারী ও শিশুরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ধরা না পড়া পর্যন্ত তারা নিজেদের বাঙালি পরিচয় দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।দেশটির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বোর্ড (সিএসডব্লিউবি) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতে বাণিজ্যিক যৌনশোষণের শিকার হওয়া নারীদের মধ্যে ২ দশমিক ৭ শতাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশ থেকে পাচার নারীদের কলকাতা, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বাইসহ বিভিন্ন শহরে দালালদের কাছে বিক্রি করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

ভারতে উদ্ধার বাংলাদেশি কিশোরী

আপডেট সময় ১১:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করা এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে সেখানকার পুলিশ। 

ঘটনাটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সক্রিয় আন্তঃদেশীয় মানব পাচার চক্রের বিষয়টিকে ফের নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। খবর, তেলেঙ্গানা টুডে’র।

দক্ষিণী এ রাজ্যটিতে বাংলাদেশি নারী উদ্ধারের ঘটনা এটিই প্রথমবার নয়। খাইরতাবাদ, চাদেরঘাট ও বান্দলাগুডার বিভিন্ন যৌনপল্লি থেকে এর আগে একাধিকবার তাদের উদ্ধার করেছে সেখানকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

মূলত চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকের একেবারে শুরু থেকেই (২০০০-০১) সংঘবদ্ধ মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এসব যৌনপল্লিতে আটকে পড়া নারীদের উদ্ধার করছে পুলিশ। শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, উজবেকিস্তান, রাশিয়া, ইউক্রেন, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল থেকেও নারীদের এনে এই পেশায় নামানো হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাচারের ক্ষেত্রে, পাচারের শিকার নারীরা সীমান্তে এজেন্টদের সাহায্য নিয়ে স্থল বা নৌপথে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ভারত ও বাংলাদেশে থাকা পাচার চক্রের হোতাদের নেটওয়ার্ক খুবই শক্তিশালী। তারা দালাল ও অন্যদের অর্থের ব্যবস্থা করে থাকে।ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে চরম দারিদ্র্য রয়েছে। শিকার বা মাছ ধরার ছদ্মবেশে এজেন্টরা অসহায় নারী বা কিশোরীদের খুঁজে বের করে। এরপর তাদেরকে ভালো জীবিকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভারতে আসতে প্ররোচিত করে। ভারতে আসার পর স্থানীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে তাদেরকে বিভিন্ন শহরে পাঠিয়ে দেয়া হয় যেখানে এই পেশায় তাদের বাধ্য করা হয় কাজ করতে।রাজ্য পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, দারিদ্র্যের কারণে বাংলাদেশ থেকে পুরুষ, নারী ও শিশুরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ধরা না পড়া পর্যন্ত তারা নিজেদের বাঙালি পরিচয় দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।দেশটির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বোর্ড (সিএসডব্লিউবি) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভারতে বাণিজ্যিক যৌনশোষণের শিকার হওয়া নারীদের মধ্যে ২ দশমিক ৭ শতাংশই বাংলাদেশের নাগরিক। বাংলাদেশ থেকে পাচার নারীদের কলকাতা, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বাইসহ বিভিন্ন শহরে দালালদের কাছে বিক্রি করা হয়।