চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৌশলগত দিকনির্দেশনায় দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে এবং মতপার্থক্যগুলো যথাযথভাবে সামলাবে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের আগে শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে শি জিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুই নেতার বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন চীনা রাষ্ট্রদূত।
গত শুক্রবার রাতে এক্সে দেওয়া পোস্টে শু ফেইহং লেখেন, “প্রেসিডেন্ট শি ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করছে চীন ও ভারত।”
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনে দুই নেতার বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছরের মতো তাঁদের সাক্ষাৎ হতে যাচ্ছে। পারস্পরিক সহযোগিতা ও মতপার্থক্য সামলানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে কাজ করবে চীন।
এক্স পোস্টে শু ফেইহং বলেন, দুই নেতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে। কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা, যোগাযোগ বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার এবং মতপার্থক্যগুলো যথাযথভাবে সামলানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, চীন ও ভারত ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্ব উপভোগ করবে এবং একে অপরের সফলতায় সহায়তা করার অংশীদার হবে।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আমন্ত্রণে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে বেইজিং ছেড়েছেন শি জিনপিং। প্রায় সাত বছর পর ভারত সফরে যাচ্ছেন তিনি। এর আগে ২০১৯ সালে সর্বশেষ ভারত সফর করেছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট।
চীন-ভারত সম্পর্কের টানাপড়েনের মধ্যে দুই নেতার বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বিদ্যমান মতপার্থক্য নিরসনে এ বৈঠক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 


















