ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফায় দফায় ১২ বার চুরি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক বাংলাদেশের বীমা খাতকে বিশ্বমানের করতে কঠোর সংস্কারের ঘোষণা—অর্থমন্ত্রী নালিতাবাড়ীতে ভাতিজার আঘাতে চিকিৎসাধীন চাচার মৃত্যু ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত বলে মন্তব্য করেছেন স্পিকার ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি অপসারণ করতে হবে জানিয়েছে ঢাবি ছাত্রদল ২০২৮ সালের আগেই আরেকটি ভাসমান টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ জানিয়েছেন মাহদী আমিন দেশ সংকটে পড়লেই মানুষ তা উত্তরণের দায়িত্ব বিএনপির ওপর দেয় বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী বান্দরবান পার্বত্য জেলা পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আগের বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কম বললেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আসিফ মাহমুদের অবস্থা এখন, ‘চোরের মায়ের বড় গলা’ বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফায় দফায় ১২ বার চুরি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৯:০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১৭৭ নম্বর বিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারো চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়টিতে গত কয়েক বছরে মোট ১২ বার চুরির ঘটনা ঘটল।​গত রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতের কোনো একসময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

গত ​সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে এসে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুতফর রহমান গাজী দেখতে পান, বিদ্যালয়ের সব কক্ষের তালা ভাঙা এবং দরজা খোলা। পরে কক্ষগুলোতে ঢুকে তিনি দেখেন, কোনো কক্ষেই একটিও বৈদ্যুতিক ফ্যান নেই। এছাড়া দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের আলমারি ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নিয়ে গেছে।

​চুরির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল-মামুনসহ পুলিশের একটি দল। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

​বিদ্যালয়টিতে বারবার চুরির ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী নিরাপত্তার ব্যবস্থা না থাকায় দুর্বৃত্তরা বারবার বিদ্যালয়টিকে টার্গেট করছে।

​দ্রুত বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
​পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফায় দফায় ১২ বার চুরি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক

মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফায় দফায় ১২ বার চুরি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক

আপডেট সময় ০৯:০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১৭৭ নম্বর বিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আবারো চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয়টিতে গত কয়েক বছরে মোট ১২ বার চুরির ঘটনা ঘটল।​গত রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতের কোনো একসময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

গত ​সোমবার সকালে বিদ্যালয়ে এসে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুতফর রহমান গাজী দেখতে পান, বিদ্যালয়ের সব কক্ষের তালা ভাঙা এবং দরজা খোলা। পরে কক্ষগুলোতে ঢুকে তিনি দেখেন, কোনো কক্ষেই একটিও বৈদ্যুতিক ফ্যান নেই। এছাড়া দুর্বৃত্তরা বিদ্যালয়ের আলমারি ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও নিয়ে গেছে।

​চুরির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল-মামুনসহ পুলিশের একটি দল। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।

​বিদ্যালয়টিতে বারবার চুরির ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী নিরাপত্তার ব্যবস্থা না থাকায় দুর্বৃত্তরা বারবার বিদ্যালয়টিকে টার্গেট করছে।

​দ্রুত বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
​পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে।