প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী বিরোধী মত দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। খসড়ার কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি তুলে সংশোধনীর আগে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ ও অপপ্রচার ঠেকাতে আইনে এ সংক্রান্ত বিধান রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনের বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা বৈঠকে জানানো হয়েছে। সংশোধনীর আগে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৈঠকে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, কেউ নিপীড়িত হয় এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই বছরে রাজনীতিতে গালিগালাজের সংস্কৃতি চালু হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে আরও যুগোপযোগী করার বিষয়েও মত দেন সংসদ সদস্যরা। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কমিটির সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, আশরাফ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মজিবুর রহমান, নিলোফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও নাজমুন নাহার অংশ নেন।

ডিজিটাল রিপোর্ট 























