নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের কালডোয়ার গ্রামের শ্যামল চন্দ্র দাস (৩৮), এক সড়ক দুর্ঘটনায় পঙ্গুত্ব বরণ করে দীর্ঘ আট (৮) বছর ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। চিকিৎসার অভাবে বর্তমানে তার সুচিকিৎসা যেমন বাধাগ্রস্ত, তেমনি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তার একমাত্র সন্তান অমিত চন্দ্র দাসের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ।
স্বরজমিনে জানা যায়, ২০১৮ সালে ঢাকা থেকে বাড়িতে ফেরার পথে একটি ট্রাকের ধাক্কায় শ্যামল দাসের পা মারাত্মকভাবে জখম হয়। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চিকিৎসারত থাকলেও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। পরিবারে উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম হওয়ার কারণে শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও প্রতিদিন ক্রাচের উপর ভর দিয়ে বাড়ি থেকে কুমারখালী বাজারে আসতে হয় তাকে। সেখানে একটি ছোট্ট চায়ের দোকান দিয়ে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছেন।
শ্যামল চন্দ্র দাসের একমাত্র ছেলে অমিত চন্দ্র দাস তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্র । বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাতে হিমশিম খাওয়ার ফলে সন্তানের পড়ালেখার খরচও মেটাতে পারছেন না তিনি। আর্থিক অনটনের কারণে অমিতকেও পড়াশোনার ফাঁকে প্রায়শই দোকানে বাবাকে সহায়তা করতে হয়। ছেলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও নিজের সুচিকিৎসার জন্য শ্যামল দাস সমাজের বিত্তবান ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন।
শ্যামল দাসের এই করুণ অবস্থায় সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তার চিকিৎসার ব্যয় ভার এবং সন্তানের পড়াশোনার স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিগণ নিচের বিকাশ নম্বরে অর্থ প্রেরণ করতে পারেন:
বিকাশ নম্বর: এবং নগদ= ০১৭০০৯৭৮৪৩৩ (শ্যামল চন্দ্র দাস)
আপনার সামান্য সহায়তা হয়তো একজন মানুষের জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে এবং একটি শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পারে।

মোঃ নজরুল ইসলাম 



















