ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত বললেন রিজভী নেত্রকোণায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন পুরনো ঐতিহ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজনের উদ্যোগ, স্টল নিতে আগ্রহীদের যোগাযোগের আহ্বান পাঁচবিবিতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন আব্দুল মান্নান আলালের ‘ভাটি বাংলার বাউল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য পূর্বধলায় ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন, বাকি ১টি স্বাক্ষর করা তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পের অপব্যবহারের আশঙ্কা, আইনি সুরক্ষা চান হারাধন সূত্রধর কলমাকান্দায় ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে জলাশয়ের মাছ লুট, ইউএনও বরাবর গণ-অভিযোগ প্রতারণার শিকার হয়ে মালয়েশিয়ার অন্ধকার জেলে হাজারো বাংলাদেশি: স্বজনদের আহাজারি, দূতাবাসের কার্যকর ভূমিকার আকুল আবেদন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গাজীপুরে শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১১:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা চালায় পুলিশ। পরে পুলিশের ওপর চড়াও হয় বিক্ষুব্ধরা। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় পুলিশ বক্সে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর সর্বশেষ রাত ১১টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।

আটক মোহাম্মদ মহসিন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার কাচুটিয়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার দারুল হিকমা হাফিজিয়া ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষক মহসিনের বিরুদ্ধে এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তাকে গণপিটুনি দেন মাদ্রাসার আশপাশের বাসিন্দারা। একপর্যায়ে ওই শিক্ষক দৌড়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার জেলা পুলিশ বক্সে আশ্রয় নেয়। কিন্তু মুহূর্তেই কয়েকশ মানুষ পুলিশ বক্সের সামনে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এসময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নেয় পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত বললেন রিজভী

গাজীপুরে শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণপিটুনি

আপডেট সময় ১১:১১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা চালায় পুলিশ। পরে পুলিশের ওপর চড়াও হয় বিক্ষুব্ধরা। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় পুলিশ বক্সে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর সর্বশেষ রাত ১১টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।

আটক মোহাম্মদ মহসিন (৩৫) নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলার কাচুটিয়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি শ্রীপুর উপজেলার দারুল হিকমা হাফিজিয়া ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষক মহসিনের বিরুদ্ধে এক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে তাকে গণপিটুনি দেন মাদ্রাসার আশপাশের বাসিন্দারা। একপর্যায়ে ওই শিক্ষক দৌড়ে মাওনা চৌরাস্তা এলাকার জেলা পুলিশ বক্সে আশ্রয় নেয়। কিন্তু মুহূর্তেই কয়েকশ মানুষ পুলিশ বক্সের সামনে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। এসময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নেয় পুলিশ।