উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ডিস্টিংগুইশড এআইটি অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেয়েছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলাম। এআইটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন একাডেমিক ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। অ্যাওয়ার্ড ঘোষণায় বলা হয়, অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলাম দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়নে অবদান রেখে আসছেন। টেকসই বনজ পণ্য, জৈবভিত্তিক উপকরণ, ন্যানোটেকনোলজি, জলবায়ু সহনশীলতা ও সার্কুলার বায়োইকোনমি নিয়ে তাঁর গবেষণায় ১০০টির বেশি গবেষণা প্রকাশনা ও পাঁচটি পেটেন্ট রয়েছে।
এছাড়া বিশ্বব্যাংক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা প্রকল্পে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থাকেও গবেষণাভিত্তিক পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এ সময় আরও উল্লেখ করা হয়, অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলাম স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন। পাশাপাশি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন তিনি। অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলামের গবেষণার অন্যতম ক্ষেত্র হলো টেকসই জীবন ব্যবস্থা উন্নয়ন, বায়োবেজড কম্পোজিটস, কাঠ সংরক্ষণ, বায়ো-আঠা এবং উদ্ভিদ সম্পদ থেকে কাগজজাত পণ্য উৎপাদন। তাঁর গবেষণার ফলাফল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পেয়েছে।
অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির অনুভূতি জানিয়ে অধ্যাপক ডা: মো: নজরুল ইসলাম বলেন, “এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি) থেকে ‘ডিস্টিংগুইশড এআইটি অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। এ স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করে। আমার কর্মজীবনে দেখেছি, এআইটির আন্ত:বিষয়ক গবেষণার কাঠামো তাত্ত্বিক গবেষণা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করে। জলবায়ু অভিযোজন, টেকসই অবকাঠামো কিংবা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সব ক্ষেত্রেই গবেষণার ফলাফলকে বাস্তব ও কার্যকর সমাধানে রূপ দেওয়া জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “প্রকৃত একাডেমিক উৎকর্ষ তখনই অর্জিত হয়, যখন গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে মানুষের জীবন ও সমাজের জন্য কার্যকর সমাধানে রূপান্তর করা যায়। ভবিষ্যতে জটিল পরিবেশগত ও উন্নয়নগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উদ্ভাবন ও আঞ্চলিক সহযোগিতার এই ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”

মো: আরিফুল ইসলাম, পাবনা জেলা প্রতিনিধি। 






















