ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ বললেন রিজভী পাঁচজন সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ড, বিচারের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহের সাংবাদিকবৃন্দ বারোমারী মিশনে ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সের আরআই তারা মিয়ার বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বাড়ির পাশের জমে থাকা পানিতে ডুবে হুমাইশা আক্তার (২) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে দিনাজপুরে রাস্তার জমি ও পারিশ্রমিক নিয়ে বিরোধ: প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার পূর্বধলায় শিক্ষক-কর্মচারী ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্বাচনে সমর্থন চায় রূপন-নিলয়-মোশারফ পরিষদ রাজশাহীতে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চারজন নিহত, পরিবারকে ৮০ হাজার টাকা সহায়তা দিল পূর্বধলা প্রশাসন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন সারজিস

  • স্টাফ রির্পোটার
  • আপডেট সময় ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজেই ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এখন থেকে ‘এক্সিকিউটিভ কমিটি’ পুরো অফিসের সার্বিক বিষয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সেখানে অফিসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বর্তমানে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

‘সাধারণ সম্পাদক’ নামে কোনো পদ এখন নেই।

এই ফাউন্ডেশন প্রথম আর্থিক সহযোগিতা শুরু করে ১ অক্টোবর, অফিস চালু হয় ১৫ অক্টোবর থেকে। আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ২১ অক্টোবর। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২ মাস ১০দিন আমি দায়িত্ব পালন করি। এরপর আমি দায়িত্ব থেকে সরে আসি। ফাইনালি আমার সাইনিং অথোরিটি ৭ জানুয়ারি হস্তান্তর হয় এবং অফিসিয়ালি আমার দায়িত্ব শেষ করি।

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্যারিফাইড ৮২৬ জন শহীদ পরিবারের মধ্যে ৬২৮ জনকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। পাশাপাশি প্রায় ১১ হাজার ভ্যারিফাইড আহতের মধ্যে প্রায় ২ হাজার আহতকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়।

যতদিন পর্যন্ত আমি আমার সর্বোচ্চ সময় ফাউন্ডেশনে দিতে পেরেছি ততদিন আমি দায়িত্ব পালন করেছি। যখন মনে হয়েছে- এখন থেকে ফাউন্ডেশনে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য সম্ভব হবে নয় তখন আমি দায়িত্ব থেকে সরে এসেছি। আমার কাছে নিজের সীমাবদ্ধতা এড্রেস করা এবং সে অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণ বা ত্যাগ করা কোনো দূর্বলতা নয় বরং এটাতে সৎ সাহস লাগে। আমি চেষ্টা করেছি আমার চেয়ারের দায়িত্বের সাথে সৎ থাকতে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব ঘিরে আনন্দের বন্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন সারজিস

আপডেট সময় ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) নিজেই ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এখন থেকে ‘এক্সিকিউটিভ কমিটি’ পুরো অফিসের সার্বিক বিষয় পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) সেখানে অফিসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বর্তমানে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

‘সাধারণ সম্পাদক’ নামে কোনো পদ এখন নেই।

এই ফাউন্ডেশন প্রথম আর্থিক সহযোগিতা শুরু করে ১ অক্টোবর, অফিস চালু হয় ১৫ অক্টোবর থেকে। আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি ২১ অক্টোবর। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২ মাস ১০দিন আমি দায়িত্ব পালন করি। এরপর আমি দায়িত্ব থেকে সরে আসি। ফাইনালি আমার সাইনিং অথোরিটি ৭ জানুয়ারি হস্তান্তর হয় এবং অফিসিয়ালি আমার দায়িত্ব শেষ করি।

৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভ্যারিফাইড ৮২৬ জন শহীদ পরিবারের মধ্যে ৬২৮ জনকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়। পাশাপাশি প্রায় ১১ হাজার ভ্যারিফাইড আহতের মধ্যে প্রায় ২ হাজার আহতকে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়।

যতদিন পর্যন্ত আমি আমার সর্বোচ্চ সময় ফাউন্ডেশনে দিতে পেরেছি ততদিন আমি দায়িত্ব পালন করেছি। যখন মনে হয়েছে- এখন থেকে ফাউন্ডেশনে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া আমার জন্য সম্ভব হবে নয় তখন আমি দায়িত্ব থেকে সরে এসেছি। আমার কাছে নিজের সীমাবদ্ধতা এড্রেস করা এবং সে অনুযায়ী দায়িত্ব গ্রহণ বা ত্যাগ করা কোনো দূর্বলতা নয় বরং এটাতে সৎ সাহস লাগে। আমি চেষ্টা করেছি আমার চেয়ারের দায়িত্বের সাথে সৎ থাকতে।