ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেনী পৌরসভার সহায়তায় হাসি ফুটল দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মুখে নতুন মূল্যায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নের উদ্যোগ: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী” হাঁটু পানিতে নিমজ্জিত ত্রিশালের প্রধান সড়ক শেরপুরে দুর্যোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হোসেইনের নালীতাবাড়ীতে অসহায় ২০০ পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত জানিয়েছেন সিইসি শাপলা চত্বরের ঘটনা সরকার উপেক্ষা করবে না, ভালো বিচার হবে জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত: এসকে সুরের ৩ বছরের জেল গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে উন্নয়ন ও জনকল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

তাপমাত্রা নামলো ১২ ডিগ্রিতে পঞ্চগড়ে , বাড়ছে শীতের দাপট

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

শীতের তীব্রতা প্রতিদিন একটু একটু করে বাড়তে থাকায় জেলার সর্বত্র এখন শীতের উপস্থিতি স্পষ্ট। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল বাতাস আর বাড়তি আর্দ্রতা স্থানীয়দের শীতঘুম ভাঙার আগেই নতুন মৌসুমের বার্তা দিচ্ছে। তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় রাস্তাঘাটে চলাচলে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। ভোরের হালকা কুয়াশা কাটার পর সূর্যের দেখা মিললেও আর্দ্রতা বেশি থাকায় শরীরে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদর এবং আশপাশের সব এলাকায় ভোর থেকে বইছে শীতল বাতাস। স্থানীয়রা বলছেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। অনেকেই ইতোমধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী গরম পোশাক ব্যবহার শুরু করেছেন।

এদিকে শীতের আগাম বার্তায় জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে উষ্ণ পোশাকের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। রিকশাচালক, দিনমজুর, কৃষকেরা সকালে কাজ করতে বের হয়ে পড়ছেন বাড়তি শীতের সঙ্গে লড়াই করে। যদিও শীতের তীব্রতা বাড়লে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা যেভাবে ক্রমশ নিচের দিকে নামছে, তাতে জেলাজুড়ে শীতের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকটি অঞ্চলে সকালের কুয়াশা বৃদ্ধি ও সন্ধ্যার পর বাতাসে ঠাণ্ডার মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। শীতের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসনও প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ বছরের শীত কেমন হবে, তা নিয়ে প্রত্যেক শীতপ্রধান জেলার মানুষের মধ্যেই কৌতূহল। তবে আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চল এবারও দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীতপ্রবণ অঞ্চলের তালিকায় থাকবে। ফলে জেলার মানুষকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে শীতের প্রকৃত চেহারা দেখার জন্য।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেনী পৌরসভার সহায়তায় হাসি ফুটল দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মুখে

তাপমাত্রা নামলো ১২ ডিগ্রিতে পঞ্চগড়ে , বাড়ছে শীতের দাপট

আপডেট সময় ০৯:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে রোববার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।

শীতের তীব্রতা প্রতিদিন একটু একটু করে বাড়তে থাকায় জেলার সর্বত্র এখন শীতের উপস্থিতি স্পষ্ট। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল বাতাস আর বাড়তি আর্দ্রতা স্থানীয়দের শীতঘুম ভাঙার আগেই নতুন মৌসুমের বার্তা দিচ্ছে। তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় রাস্তাঘাটে চলাচলে কোনো সমস্যা দেখা যায়নি। ভোরের হালকা কুয়াশা কাটার পর সূর্যের দেখা মিললেও আর্দ্রতা বেশি থাকায় শরীরে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী, পঞ্চগড় সদর এবং আশপাশের সব এলাকায় ভোর থেকে বইছে শীতল বাতাস। স্থানীয়রা বলছেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। অনেকেই ইতোমধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী গরম পোশাক ব্যবহার শুরু করেছেন।

এদিকে শীতের আগাম বার্তায় জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে উষ্ণ পোশাকের চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে। রিকশাচালক, দিনমজুর, কৃষকেরা সকালে কাজ করতে বের হয়ে পড়ছেন বাড়তি শীতের সঙ্গে লড়াই করে। যদিও শীতের তীব্রতা বাড়লে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা যেভাবে ক্রমশ নিচের দিকে নামছে, তাতে জেলাজুড়ে শীতের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকটি অঞ্চলে সকালের কুয়াশা বৃদ্ধি ও সন্ধ্যার পর বাতাসে ঠাণ্ডার মাত্রা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। শীতের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসনও প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ বছরের শীত কেমন হবে, তা নিয়ে প্রত্যেক শীতপ্রধান জেলার মানুষের মধ্যেই কৌতূহল। তবে আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, পঞ্চগড়সহ উত্তরাঞ্চল এবারও দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীতপ্রবণ অঞ্চলের তালিকায় থাকবে। ফলে জেলার মানুষকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে শীতের প্রকৃত চেহারা দেখার জন্য।