ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো এক সময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জগন্নাথপুরে জাকজমকপূর্ণ নৌকা বাইচে জনস্রোত, সেমিফাইনাল শেষে স্থগিত ফাইনাল ঝালকাঠির বাসন্ডা বেইলি সেতু: ১০ বছর ধরে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, জোড়াতালিতে চলছে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বাই সাইকেলে ঘুরে ক্রাচে ভর করে পত্রিকা বিলি করে পূর্বধলার কাশেম এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষা: অংশ নিতে যা করতে হবে শিক্ষার্থীদের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রথম কার্যদিবস আজ: শুরু হলো নতুন দায়িত্ব পালন অপেক্ষার অবসান? জেনে নিন কবে প্রকাশ হতে পারে এসএসসি ও সমমানের ফল বাংলাদেশিরা ভিসা ছাড়াই এশিয়ার যে ৬ দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন পূর্বধলায় কালী মন্দিরের দুই কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত; সম্প্রীতি ও উন্নয়নের বার্তা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মদের চালান সাবেক সচিবের গাড়িতে,

ঢাকা থেকে খুলনায় আনা দেশি-বিদেশি মদের একটি চালান জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি প্রাইভেট কারসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। গাড়িটির মালিক একজন সাবেক সচিব।

গত বুধবার (১৪ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল  রূপসা সেতুর টোল প্লাজায় চালানটি জব্দ করে। এর মধ্যে ছিল বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৪ বোতল এবং দেশি কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ৪৬ বোতল মদ।

এর মধ্যে শরীফের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রতাপ এলাকায় এবং বর্তমানে থাকেন ঢাকার কামরাঙ্গীরচর চৌরাস্তার হযরত নগরে। অন্যদিকে ওহাব ফরিদপুরের নগরকান্দার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ঢাকার লালবাগের আমলিগোলা এলাকায় বসবাস করেন।

দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, ঢাকার একটি চক্র থেকে মদ সংগ্রহ করে মাঝেমধ্যে ভাড়া করা প্রাইভেট কারে করে খুলনায় এসে আরেকটি চক্রের কাছে সরবরাহ করেন। আটকরা এর আগেও একাধিকবার খুলনায় এসেছেন। তারা মূলত চালান নিয়ে জিরো পয়েন্টে আসেন। সেখানে ঢাকার চক্রের কাছ থেকে গাড়ির নম্বর পেয়ে খুলনার চক্রটি তাদের শনাক্ত করে বিশেষ কৌশলে অন্য গাড়িতে মদগুলো তুলে নিয়ে যায়। খুলনায় কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের কারও নাম বলতে পারেননি দুজন।

অবশ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে আটক হওয়ার পর শরীফের মোবাইল ফোনে জামাল নামের একজন হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার কল দেন। তবে শরীফের দাবি, জামাল নামে কাউকে তিনি চেনেন না।

ওহাব জানান, তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিবের গাড়িচালক। ওই সচিবের নাম রাশেদ খান। তার বাড়ি মানিকগঞ্জে এবং সেখানে তার নামে একটি কলেজ রয়েছে। তবে গাড়িটি রাশেদের স্ত্রী স্কুলশিক্ষক রাবেয়া খাতুনের নামে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, অভিযুক্তরা ঢাকা থেকে দেশি-বিদেশি মোট ৮০ বোতল মদ নিয়ে খুলনায় আসছিলেন। এ সময় অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের একটি দল রূপসা সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাদের আটক করে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মদের চালান সাবেক সচিবের গাড়িতে,

আপডেট সময় ০১:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

ঢাকা থেকে খুলনায় আনা দেশি-বিদেশি মদের একটি চালান জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি প্রাইভেট কারসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। গাড়িটির মালিক একজন সাবেক সচিব।

গত বুধবার (১৪ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল  রূপসা সেতুর টোল প্লাজায় চালানটি জব্দ করে। এর মধ্যে ছিল বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৩৪ বোতল এবং দেশি কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ৪৬ বোতল মদ।

এর মধ্যে শরীফের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রতাপ এলাকায় এবং বর্তমানে থাকেন ঢাকার কামরাঙ্গীরচর চৌরাস্তার হযরত নগরে। অন্যদিকে ওহাব ফরিদপুরের নগরকান্দার স্থায়ী বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ঢাকার লালবাগের আমলিগোলা এলাকায় বসবাস করেন।

দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, ঢাকার একটি চক্র থেকে মদ সংগ্রহ করে মাঝেমধ্যে ভাড়া করা প্রাইভেট কারে করে খুলনায় এসে আরেকটি চক্রের কাছে সরবরাহ করেন। আটকরা এর আগেও একাধিকবার খুলনায় এসেছেন। তারা মূলত চালান নিয়ে জিরো পয়েন্টে আসেন। সেখানে ঢাকার চক্রের কাছ থেকে গাড়ির নম্বর পেয়ে খুলনার চক্রটি তাদের শনাক্ত করে বিশেষ কৌশলে অন্য গাড়িতে মদগুলো তুলে নিয়ে যায়। খুলনায় কারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের কারও নাম বলতে পারেননি দুজন।

অবশ্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে আটক হওয়ার পর শরীফের মোবাইল ফোনে জামাল নামের একজন হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার কল দেন। তবে শরীফের দাবি, জামাল নামে কাউকে তিনি চেনেন না।

ওহাব জানান, তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সচিবের গাড়িচালক। ওই সচিবের নাম রাশেদ খান। তার বাড়ি মানিকগঞ্জে এবং সেখানে তার নামে একটি কলেজ রয়েছে। তবে গাড়িটি রাশেদের স্ত্রী স্কুলশিক্ষক রাবেয়া খাতুনের নামে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, অভিযুক্তরা ঢাকা থেকে দেশি-বিদেশি মোট ৮০ বোতল মদ নিয়ে খুলনায় আসছিলেন। এ সময় অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের একটি দল রূপসা সেতুর টোল প্লাজা থেকে তাদের আটক করে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।