ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত বললেন রিজভী নেত্রকোণায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন পুরনো ঐতিহ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজনের উদ্যোগ, স্টল নিতে আগ্রহীদের যোগাযোগের আহ্বান পাঁচবিবিতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন আব্দুল মান্নান আলালের ‘ভাটি বাংলার বাউল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য পূর্বধলায় ৬৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৬৫টিতে প্রতিমা বিসর্জন, বাকি ১টি স্বাক্ষর করা তিনটি ফাঁকা স্ট্যাম্পের অপব্যবহারের আশঙ্কা, আইনি সুরক্ষা চান হারাধন সূত্রধর কলমাকান্দায় ফসল রক্ষা বাঁধ কেটে জলাশয়ের মাছ লুট, ইউএনও বরাবর গণ-অভিযোগ প্রতারণার শিকার হয়ে মালয়েশিয়ার অন্ধকার জেলে হাজারো বাংলাদেশি: স্বজনদের আহাজারি, দূতাবাসের কার্যকর ভূমিকার আকুল আবেদন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মোটরসাইকেল কিনলে দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক হচ্ছে জানিয়েছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

মোটরসাইকেল বিক্রির সময় ক্রেতাকে বাধ্যতামূলকভাবে বিএসটিআই অনুমোদিত দুটি হেলমেট বিনামূল্যে দেওয়ার নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মোটরসাইকেল বিক্রেতাদের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেছি, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, কেউ মোটরসাইকেল বিক্রি করলে তাকে অবশ্যই বিএসটিআই অনুমোদিত দুইটি হেলমেট ক্রেতার সঙ্গে ফ্রি দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে আমরা কোনো ছাড় দিচ্ছি না। বয়স পূর্ণ না হলে লাইসেন্স দেওয়া হবে না। পুলিশ সদস্যদের অনুরোধ করবো, আপনারা আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে হলে এই বয়সী মানুষের মৃত্যুহার কমাতে হবে। এজন্য আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিআরটিএর কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিআরটিএ এখন আগের জায়গায় নেই। আমরা সব কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় নিয়ে আসছি। খুব শিগগিরই সব সেবা অনলাইনে চালু হবে, যেন মানুষকে আর হয়রানির শিকার হতে না হয়। আশা করছি, এই মাসের শেষ নাগাদ অনলাইন কার্যক্রম চালু করতে পারবো।

তিনি বলেন, বিআরটিএ একা কিছু করতে পারে না। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নোয়াখালী সার্কেলের উদ্যোগে ৪১টি পরিবারের মাঝে এক কোটি ৬৫ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমুন নেছার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিআরটিএ পরিচালক (যুগ্ম সচিব) রুবাইয়াৎ-ই-আশিক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মাহামুদ চৌধুরী, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি ট্রাফিক ইনস্পেক্টর পুলক চাকমা, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য বাহার উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, নোয়াখালী জেলায় নিহত ২০ জনের পরিবার ও আহত ১ জনসহ ২১টি পরিবারকে ১ কোটি ১ লাখ টাকা, লক্ষ্মীপুর জেলায় নিহত ১১ জনের পরিবার ও আহত ৯ জনসহ ২০টি পরিবারকে ৬৪ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। সব মিলিয়ে ৪১টি পরিবারকে মোট ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক প্রমাণিত বললেন রিজভী

মোটরসাইকেল কিনলে দুটি হেলমেট ফ্রি দেওয়া বাধ্যতামূলক হচ্ছে জানিয়েছেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান

আপডেট সময় ০৯:০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

মোটরসাইকেল বিক্রির সময় ক্রেতাকে বাধ্যতামূলকভাবে বিএসটিআই অনুমোদিত দুটি হেলমেট বিনামূল্যে দেওয়ার নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, আমরা মোটরসাইকেল বিক্রেতাদের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করেছি, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নীতিমালা অনুযায়ী, কেউ মোটরসাইকেল বিক্রি করলে তাকে অবশ্যই বিএসটিআই অনুমোদিত দুইটি হেলমেট ক্রেতার সঙ্গে ফ্রি দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্সের ক্ষেত্রে আমরা কোনো ছাড় দিচ্ছি না। বয়স পূর্ণ না হলে লাইসেন্স দেওয়া হবে না। পুলিশ সদস্যদের অনুরোধ করবো, আপনারা আরও কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে হলে এই বয়সী মানুষের মৃত্যুহার কমাতে হবে। এজন্য আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিআরটিএর কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিআরটিএ এখন আগের জায়গায় নেই। আমরা সব কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় নিয়ে আসছি। খুব শিগগিরই সব সেবা অনলাইনে চালু হবে, যেন মানুষকে আর হয়রানির শিকার হতে না হয়। আশা করছি, এই মাসের শেষ নাগাদ অনলাইন কার্যক্রম চালু করতে পারবো।

তিনি বলেন, বিআরটিএ একা কিছু করতে পারে না। জেলা প্রশাসন, পুলিশ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নোয়াখালী সার্কেলের উদ্যোগে ৪১টি পরিবারের মাঝে এক কোটি ৬৫ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসলিমুন নেছার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিআরটিএ পরিচালক (যুগ্ম সচিব) রুবাইয়াৎ-ই-আশিক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মো. মাসুদ আলম, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মাহামুদ চৌধুরী, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি ট্রাফিক ইনস্পেক্টর পুলক চাকমা, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য বাহার উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, নোয়াখালী জেলায় নিহত ২০ জনের পরিবার ও আহত ১ জনসহ ২১টি পরিবারকে ১ কোটি ১ লাখ টাকা, লক্ষ্মীপুর জেলায় নিহত ১১ জনের পরিবার ও আহত ৯ জনসহ ২০টি পরিবারকে ৬৪ লাখ টাকা প্রদান করা হয়। সব মিলিয়ে ৪১টি পরিবারকে মোট ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।