ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানো হবে জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয় জানিয়েছেন ইসি আনোয়ারুল ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না জানিয়েছেন মীর শাহে আলম নেত্রকোনা মদনে শহীদ স্মরণিকা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চারটি ক্লাবের শুভ উদ্বোধন আসন্ন পূর্বধলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মৎস্যজীবী দলের নেতা মোহাম্মদ আলী রাষ্ট্রপতি সিলেট সফরে যাচ্ছেন আজ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন: পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির পাশে জেলা প্রশাসন, চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ডিসি মুকসুদপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দফায় দফায় ১২ বার চুরি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সরকারের ভুলত্রুটি হলেও গণমানুষের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বললেন জোনায়েদ সাকি

  • স্টাফ রির্পোটার
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারের ভুলত্রুটি হলেও গণমানুষের বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত নাগরিক স্মরণসভায় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি একথা বলেন। চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

স্মরণসভায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোচনা করেন জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ভুয়া নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদ কায়েমের চুড়ান্ত জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। সে বছরই ফ্যাসিবাদের প্রকাশ ঘটেছিল। ২০১৫ সালের পর থেকে রাজনৈতিক সংগ্রামকে একটা ঐক্যের জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলো। অন্যদিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা, জাগরণ ঘটানো এবং ফ্যাসিবাদের পতনের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করেছিলেন। তিনি ছিলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরে রাজনীতিতে নেমে আসে হতাশা। সে বছর ৩০ ডিসেম্বর আগের রাতে ভোট হয়ে গেল, তারপর বিএনপির মতো দল ছয়টি আসন নিয়ে সংসদে থাকতে হলো। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় আকারের হতাশা নেমে আসে। ২০১৯ সালে বড় আকারের কোনো রাজনৈতিক সংগ্রাম হয়নি। বিএনপি তখন কীভাবে সংগ্রামের পথ অনুসন্ধান করা যাবে চিন্তা করছিল। সেই সংকটেও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী রাস্তায় দাঁড়িয়ে গেলেন। শেষনিশ্বাস ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত তিনি আন্দোলনে ছিলেন।

এসময় জোনায়েদ সাকি বলেন, বর্তমান সরকারের ভুলত্রুটি হলেও গণমানুষের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
আয়োজিত স্মরণসভায় আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আযম বীর প্রতীক, সমাজসেবা ও ‍শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ সহ অন্যরা।

আলোচকরা বলেন, দেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এসময় তরুণদের সততার রাজনীতিতে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানো হবে জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব

সরকারের ভুলত্রুটি হলেও গণমানুষের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বললেন জোনায়েদ সাকি

আপডেট সময় ১১:১৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

সরকারের ভুলত্রুটি হলেও গণমানুষের বিরুদ্ধে যায় এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত নাগরিক স্মরণসভায় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি একথা বলেন। চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

স্মরণসভায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোচনা করেন জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ভুয়া নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা ফ্যাসিবাদ কায়েমের চুড়ান্ত জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। সে বছরই ফ্যাসিবাদের প্রকাশ ঘটেছিল। ২০১৫ সালের পর থেকে রাজনৈতিক সংগ্রামকে একটা ঐক্যের জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলো। অন্যদিকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করা, জাগরণ ঘটানো এবং ফ্যাসিবাদের পতনের জায়গায় নিয়ে যাওয়ার তাগিদ অনুভব করেছিলেন। তিনি ছিলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরে রাজনীতিতে নেমে আসে হতাশা। সে বছর ৩০ ডিসেম্বর আগের রাতে ভোট হয়ে গেল, তারপর বিএনপির মতো দল ছয়টি আসন নিয়ে সংসদে থাকতে হলো। এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় আকারের হতাশা নেমে আসে। ২০১৯ সালে বড় আকারের কোনো রাজনৈতিক সংগ্রাম হয়নি। বিএনপি তখন কীভাবে সংগ্রামের পথ অনুসন্ধান করা যাবে চিন্তা করছিল। সেই সংকটেও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী রাস্তায় দাঁড়িয়ে গেলেন। শেষনিশ্বাস ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত তিনি আন্দোলনে ছিলেন।

এসময় জোনায়েদ সাকি বলেন, বর্তমান সরকারের ভুলত্রুটি হলেও গণমানুষের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
আয়োজিত স্মরণসভায় আরো বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আযম বীর প্রতীক, সমাজসেবা ও ‍শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ সহ অন্যরা।

আলোচকরা বলেন, দেশের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন ডাঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এসময় তরুণদের সততার রাজনীতিতে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানান তাঁরা।