ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২২০৫ শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে কলেজ পায়নি জিপিএ-৫ পেয়েও ৫৯ লাখ সুবিধাভোগীকে টিসিবি কার্ড থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জনগণ যেমন আইন চায় তেমন আইনই আনবে সরকার জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে সেরা, নালিতাবাড়ীর সাদিয়ার ঝুলিতে ভিসি অ্যাওয়ার্ড শেরপুরে ঘুমন্ত স্বামীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত, ময়মনসিংহে প্রেরণ অটোরিকশাচালকের মেয়ে মীমের জিপিএ-৫: দারিদ্র্যকে হার মানানো এক অনুপ্রেরণার গল্প ঘুষের অভিযোগ দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে, বদলি হলেন ডায়নামিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীন,জনমনে প্রশ্ন সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন ব্রিকস সম্মেলনে না গিয়ে তারেক রহমান দেশকে সম্মানিত করেছেন বললেন রিজভী ফরিদপুর থানা পুলিশের অভিযানে শিশু হত্যার মূল আসামী গ্রেফতার এবং ছিনতাই হওয়া ব্যাটারী চালিত অটোভ্যান উদ্ধার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে জামায়াতের আপত্তি, কিন্তু সাইবার অপরাধ রুখতে আইনের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী বিরোধী মত দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। খসড়ার কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি তুলে সংশোধনীর আগে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ ও অপপ্রচার ঠেকাতে আইনে এ সংক্রান্ত বিধান রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান।

বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে আলোচনা ছিল না। কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ সম্প্রতি প্রকাশিত সংশোধনীর খসড়াটি আলোচনায় আনেন। তিনি বলেন, খসড়ায় গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা স্পষ্ট নয়। এভাবে আইন হলে সাংবাদিকদের ওপর খড়্গ নেমে আসতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মত ও সরকারবিরোধী মত নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে এটি ব্যবহার হতে পারে।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনের বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা বৈঠকে জানানো হয়েছে। সংশোধনীর আগে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৈঠকে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, কেউ নিপীড়িত হয় এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।

সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই বছরে রাজনীতিতে গালিগালাজের সংস্কৃতি চালু হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে আরও যুগোপযোগী করার বিষয়েও মত দেন সংসদ সদস্যরা। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, আশরাফ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মজিবুর রহমান, নিলোফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও নাজমুন নাহার অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২২০৫ শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে কলেজ পায়নি জিপিএ-৫ পেয়েও

​সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে জামায়াতের আপত্তি, কিন্তু সাইবার অপরাধ রুখতে আইনের পক্ষে তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৪:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী বিরোধী মত দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। খসড়ার কয়েকটি ধারা নিয়ে আপত্তি তুলে সংশোধনীর আগে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ ও অপপ্রচার ঠেকাতে আইনে এ সংক্রান্ত বিধান রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান।

বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী নিয়ে আলোচনা ছিল না। কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ সম্প্রতি প্রকাশিত সংশোধনীর খসড়াটি আলোচনায় আনেন। তিনি বলেন, খসড়ায় গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু গুজব ও অপতথ্যের সংজ্ঞা স্পষ্ট নয়। এভাবে আইন হলে সাংবাদিকদের ওপর খড়্গ নেমে আসতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মত ও সরকারবিরোধী মত নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে এটি ব্যবহার হতে পারে।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইনের বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা বৈঠকে জানানো হয়েছে। সংশোধনীর আগে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৈঠকে মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, কেউ নিপীড়িত হয় এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।

সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই বছরে রাজনীতিতে গালিগালাজের সংস্কৃতি চালু হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে মত দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে আরও যুগোপযোগী করার বিষয়েও মত দেন সংসদ সদস্যরা। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কমিটির সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান, প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, আশরাফ উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মজিবুর রহমান, নিলোফার চৌধুরী মনি, ফাহমিদা হক, শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও নাজমুন নাহার অংশ নেন।