ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংবিধান সংশোধন ছাড়া সংস্কার পরিষদের শপথ সম্ভব নয় বললেন আমীর খসরু মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন হাসনাত আবদুল্লাহ সেই জার্সি পরেই সংসদে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু বলে মন্তব্য করেছেন সারজিস সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেবে না বিএনপি বললেন সালাহউদ্দিন তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেন জামায়াত আমির শপথ নিতে সংসদ ভবনে বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না জানিয়েছেন তাহের সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন বিদ্যুৎ থাকবে না ৯ ঘণ্টা সকাল থেকে যেসব এলাকায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শবে বরাত চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে : আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র রমজান মাসের আগমনী বার্তা বহনকারী শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণে আজ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে। শাবান মাসের চাঁদ দেখা ও পবিত্র শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় (বাদ মাগরিব) ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কেও বিষয়টি অবহিত করতে বলা হয়েছে।

আজ সোমবার শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সে ক্ষেত্রে ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পালিত হবে শবে বরাত। আর চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস শুরু হবে। তখন ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে।

‘শবে বরাত’ শব্দটি দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘শব’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ রাত; আর ‘বরাত’ আরবি শব্দ, যার অর্থ নাজাত বা মুক্তি। অর্থাৎ শবে বরাত বলতে বোঝায়—জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার রাত।

নির্ভরযোগ্য হাদিসের মাধ্যমে এ রাতে ইবাদতের গুরুত্ব প্রমাণিত। নবীজি (সা.)-এর যুগ থেকে সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনের আমল হিসেবে এ রাতে নফল ইবাদত পালনের ধারা চলে আসছে।

হাদিস শরিফে এই রাতকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই রাতের ফজিলত পুরোপুরি অস্বীকার করে, আবার অন্য একটি শ্রেণি ফজিলতের নামে বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘনে লিপ্ত হয়—যা ইসলামি শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান সংশোধন ছাড়া সংস্কার পরিষদের শপথ সম্ভব নয় বললেন আমীর খসরু

শবে বরাত চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে : আজ বৈঠকে সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় ১০:০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

পবিত্র রমজান মাসের আগমনী বার্তা বহনকারী শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণে আজ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে। শাবান মাসের চাঁদ দেখা ও পবিত্র শবে বরাতের তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় (বাদ মাগরিব) ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ ও ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ নম্বরে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কেও বিষয়টি অবহিত করতে বলা হয়েছে।

আজ সোমবার শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস গণনা শুরু হবে। সে ক্ষেত্রে ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পালিত হবে শবে বরাত। আর চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রজব মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে শাবান মাস শুরু হবে। তখন ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে।

‘শবে বরাত’ শব্দটি দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘শব’ ফারসি শব্দ, যার অর্থ রাত; আর ‘বরাত’ আরবি শব্দ, যার অর্থ নাজাত বা মুক্তি। অর্থাৎ শবে বরাত বলতে বোঝায়—জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়ার রাত।

নির্ভরযোগ্য হাদিসের মাধ্যমে এ রাতে ইবাদতের গুরুত্ব প্রমাণিত। নবীজি (সা.)-এর যুগ থেকে সাহাবা, তাবেইন ও তাবে-তাবেইনের আমল হিসেবে এ রাতে নফল ইবাদত পালনের ধারা চলে আসছে।

হাদিস শরিফে এই রাতকে ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে সমাজের এক শ্রেণির মানুষ এই রাতের ফজিলত পুরোপুরি অস্বীকার করে, আবার অন্য একটি শ্রেণি ফজিলতের নামে বাড়াবাড়ি ও সীমালঙ্ঘনে লিপ্ত হয়—যা ইসলামি শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।