ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মানুষ-হাতির সহাবস্থান নিশ্চিতে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিপূরণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে বললেন উপদেষ্টা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে মানুষ ও হাতির সহাবস্থান নিশ্চিতে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেন, হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে সহজে ও দ্রুত ক্ষতিপূরণ পান, সে জন্য সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সহজীকরণ ও সংশোধনের কাজ হাতে নেওয়া হচ্ছে।

মানুষ ও বন্য হাতির দ্বন্দ্ব নিরসনে করণীয় নির্ধারণে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, হাতির টিকে থাকার জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। এজন্য স্থানীয়দের মধ্য থেকে দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম আরও সক্রিয় করা হবে এবং তাদের ওয়াকিটকি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে। পাশাপাশি হাতির খাদ্যোপযোগী গাছ লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বোরো মৌসুমে বিশেষ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত জনবল পদায়ন করতে হবে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা জরুরি। হাতি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, হাতির কাছে গিয়ে টিকটকসহ যেকোনো ধরনের ভিডিও করা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. রকিবুল হাসান মুকুল, শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আলী রেজা খান, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সার্কেলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্লাহ পাটোয়ারী, হাতি সংরক্ষণ প্রকল্পের পরিচালক এ. এস. এম. জহির উদ্দিন আকন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মানুষ-হাতির সহাবস্থান নিশ্চিতে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিপূরণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে বললেন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:৫৬:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে মানুষ ও হাতির সহাবস্থান নিশ্চিতে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেন, হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে সহজে ও দ্রুত ক্ষতিপূরণ পান, সে জন্য সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সহজীকরণ ও সংশোধনের কাজ হাতে নেওয়া হচ্ছে।

মানুষ ও বন্য হাতির দ্বন্দ্ব নিরসনে করণীয় নির্ধারণে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি আরও বলেন, হাতির টিকে থাকার জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। এজন্য স্থানীয়দের মধ্য থেকে দক্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম আরও সক্রিয় করা হবে এবং তাদের ওয়াকিটকি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে। পাশাপাশি হাতির খাদ্যোপযোগী গাছ লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বোরো মৌসুমে বিশেষ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত জনবল পদায়ন করতে হবে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা জরুরি। হাতি বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, হাতির কাছে গিয়ে টিকটকসহ যেকোনো ধরনের ভিডিও করা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে।

সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মো. রকিবুল হাসান মুকুল, শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আলী রেজা খান, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ সার্কেলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্লাহ পাটোয়ারী, হাতি সংরক্ষণ প্রকল্পের পরিচালক এ. এস. এম. জহির উদ্দিন আকন, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।