ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদমদীঘিতে ডিলারদের সাইনবোর্ডসর্বস্ব বাণিজ্য: নির্ধারিত পয়েন্টে মিলছে না সার, অন্যত্র মজুত-বিক্রির অভিযোগ চট্টগ্রামে অনলাইন ভূমি অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দেশসেরা সাফল্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা জাইমা রহমান, শুভেচ্ছা জিসপ সভাপতির ডিমলার কৃষকের ছেলে সিভিল জজ, আনন্দে ভাসছে নূরপাড়া গ্রাম সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের সাথে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় টেকনাফে নাফ নদীতে ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ লিবিয়ায় প্রবাসীকে অপহরণ ও নির্যাতন: ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের পর পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ২ নেত্রকোনার হাওরে এক ফসলের ওপর কৃষকের জীবন, অনিশ্চয়তা কাটে না জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচার: হোয়াইক্যংয়ে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে সেবায় ডিজিটাল যুগের সূচনা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব আগামী ১২ আগস্ট

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

রোমাঞ্চকর ক্ষণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ১২ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে এক বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর বিশ্বজুড়ে এটিই প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, যা ১৯৯৯ সালের পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রথমবার দৃশ্যমান হবে। 

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পূর্ণগ্রাসের এই চিত্র।

পূর্ণগ্রাসের পথ: প্রচ্ছায়া আর্কটিক অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পশ্চিম আইসল্যান্ড, উত্তর-পূর্ব পর্তুগাল এবং উত্তর স্পেন অতিক্রম করবে। স্পেনের লিওন, বুর্গোস, ভায়াদোলিদ, সানতান্দের, বিলবাও, জারাগোজা, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমা শহর থেকে এই বিরল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে।

বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানতা: ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ পূর্ণগ্রাসের পথে অবস্থান করবেন, যাদের বেশিরভাগই স্পেনের বাসিন্দা। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৮ কোটি মানুষ—অর্থাৎ প্রতি আটজনের একজনের বেশি—সূর্যের আংশিক বা পূর্ণ রূপ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলো পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ঢেকে দেয়, তখন সূর্যগ্রহণ ঘটে। চাঁদের ছায়া সূর্যের পুরো চাকতিকে ঢেকে ফেললে তাকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়। সূর্যের ব্যাস চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড় হলেও এটি পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে অবস্থিত। ফলে পৃথিবী থেকে দুটিকেই আকাশে প্রায় সমান আকারের মনে হয় এবং পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি বছর দুই থেকে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ (আংশিক, বলয়গ্রাস, পূর্ণগ্রাস ও সংকর) দেখা যায়। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলক বিরল; প্রতি এক শতকে গড়ে প্রায় ৬৬ বার বা দেড় বছর পরপর এটি ঘটে থাকে। মোট সূর্যগ্রহণের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আংশিক, এক-তৃতীয়াংশ বলয়গ্রাস, এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি পূর্ণগ্রাস এবং মাত্র ৫ শতাংশ সংকর ধরনের হয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাওয়ায় কোটি কোটি মানুষ এই মহাজাগতিক ঘটনাটি উপভোগ করার অপেক্ষায় রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদমদীঘিতে ডিলারদের সাইনবোর্ডসর্বস্ব বাণিজ্য: নির্ধারিত পয়েন্টে মিলছে না সার, অন্যত্র মজুত-বিক্রির অভিযোগ

বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব আগামী ১২ আগস্ট

আপডেট সময় ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রোমাঞ্চকর ক্ষণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ১২ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে এক বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর বিশ্বজুড়ে এটিই প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, যা ১৯৯৯ সালের পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রথমবার দৃশ্যমান হবে। 

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পূর্ণগ্রাসের এই চিত্র।

পূর্ণগ্রাসের পথ: প্রচ্ছায়া আর্কটিক অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পশ্চিম আইসল্যান্ড, উত্তর-পূর্ব পর্তুগাল এবং উত্তর স্পেন অতিক্রম করবে। স্পেনের লিওন, বুর্গোস, ভায়াদোলিদ, সানতান্দের, বিলবাও, জারাগোজা, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমা শহর থেকে এই বিরল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে।

বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানতা: ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ পূর্ণগ্রাসের পথে অবস্থান করবেন, যাদের বেশিরভাগই স্পেনের বাসিন্দা। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৮ কোটি মানুষ—অর্থাৎ প্রতি আটজনের একজনের বেশি—সূর্যের আংশিক বা পূর্ণ রূপ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলো পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ঢেকে দেয়, তখন সূর্যগ্রহণ ঘটে। চাঁদের ছায়া সূর্যের পুরো চাকতিকে ঢেকে ফেললে তাকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়। সূর্যের ব্যাস চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড় হলেও এটি পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে অবস্থিত। ফলে পৃথিবী থেকে দুটিকেই আকাশে প্রায় সমান আকারের মনে হয় এবং পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি বছর দুই থেকে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ (আংশিক, বলয়গ্রাস, পূর্ণগ্রাস ও সংকর) দেখা যায়। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলক বিরল; প্রতি এক শতকে গড়ে প্রায় ৬৬ বার বা দেড় বছর পরপর এটি ঘটে থাকে। মোট সূর্যগ্রহণের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আংশিক, এক-তৃতীয়াংশ বলয়গ্রাস, এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি পূর্ণগ্রাস এবং মাত্র ৫ শতাংশ সংকর ধরনের হয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাওয়ায় কোটি কোটি মানুষ এই মহাজাগতিক ঘটনাটি উপভোগ করার অপেক্ষায় রয়েছেন।