ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের আনন্দবাজারে ডিজিটাল পাল্লায় বিশেষ কৌশলে রশি বেঁধে ওজনে কারচুপি করার অপরাধে আপেল মাহমুদ নামের এক ইলিশ ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এই অভিযান পরিচালনা করে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভীর নেতৃত্বে আনন্দবাজারের মাছের পাইকারি ও খুচরা বাজারে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় মাছ বিক্রেতা আপেল মাহমুদের ওজন পরিমাপক যন্ত্রে অভিনব কায়দায় কারচুপির বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, ওই ব্যবসায়ী ডিজিটাল পাল্লার ভেতরের মেকানিজমের সঙ্গে একটি রাবার ও রশি সংযুক্ত করে তার অপর প্রান্ত গামছার আড়ালে নিজের হাতের কাছে লুকিয়ে রাখতেন। মাছ মাপার সময় রশিটি টেনে বা ঢিলে করে ক্রেতাদের অজান্তেই প্রতি কেজিতে শত শত গ্রাম ইলিশ কম দেওয়া হতো।
জিজ্ঞাসাবাদে ব্যবসায়ী আপেল মাহমুদ নিজের অপরাধ স্বীকার করেন। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার শর্তে তিনি মুচলেকা দেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি 


















