ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নিউইয়র্কে বিমানবন্দরে হেনস্তার কারণ:জামায়াতের নায়েবে আমির

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। সম্প্রতি সেখানে বিমানবন্দরে হামলার শিকার হন এনসিপি নেতা আখতার হোসেন।

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকলেও বিমানবন্দরে কেন রাজনীতিবিদরা আলাদা আলাদাভাবে বের হলেন তা নিয়ে চলছে আলোচনা। এই বিষয়ে কথা বলেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন জামায়াতের এই নেতা।

বিমানবন্দরের ঘটনায় বাংলাদেশ মিশনের ত্রুটি থাকার অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারা যথাযথভাবে আমাদের অবহিত করেনি যে কী ঘটছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা যদি একসঙ্গে বের হতাম, তাহলে হয়তো হামলাকারীরা আমাদের কাছে আসত না।

এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, আওয়ামী লীগ যে এমন কাজ করতে পারে, তা আমরা আগেও দেখেছি। তারা এমন ঘটনা পূর্বেও ঘটিয়েছে। আমাদের এমন আশঙ্কা ছিল। তবে তারা আসলে এখানে কী করছে বা বাইরে কী ঘটছে, সেটা আমরা বের হওয়ার আগে বুঝতে পারিনি।

তিনি বলেন, আমি ওদের সঙ্গে ছিলাম। তারা আমাদের থেকে ৮-১০ হাত দূরে অবস্থান করছিল। এ সময় আমাদের ছেলেরা ‘তাহের ভাই, তাহের ভাই’, ‘জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল। ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডও ছিল। আমি দু’জনকে বলেছিলাম, তোমরা ফখরুল সাহেবের নামেও স্লোগান দাও, কারণ এটা শুনে একটু খারাপ লাগে। কিন্তু ছেলেরা খুব উত্তেজিত ছিল এবং কথা শুনছিল না। তখন আমি বুঝলাম ফখরুল ভাই হয়তো বিব্রতবোধ করছেন। তাই আমি কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখলাম যাতে স্লোগানটি তার কানে না পৌঁছায়। পরে তারা আমাকে সংবর্ধনা দিল, ফুল উপহার দিল, এবং আমি সেখানে ৩-৪ মিনিট বক্তব্য দিয়েছি। এ কারণে টাইম গ্যাপটা একটু বেশি হয়ে গেছে। পরে ডিম মারার বিষয়টি আমি শুনতে পেলাম।

ডা. তাহের আরও বলেন, আপনারা টিভিতে দেখবেন যে, সেখানে আখতারকে যে দু’জন ছেলে প্রোটেকশন দিয়ে রেখেছে, তারা আমাদেরই ছেলে। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউইয়র্কে বিমানবন্দরে হেনস্তার কারণ:জামায়াতের নায়েবে আমির

আপডেট সময় ০২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সফরসঙ্গী হিসেবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। সম্প্রতি সেখানে বিমানবন্দরে হামলার শিকার হন এনসিপি নেতা আখতার হোসেন।

প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকলেও বিমানবন্দরে কেন রাজনীতিবিদরা আলাদা আলাদাভাবে বের হলেন তা নিয়ে চলছে আলোচনা। এই বিষয়ে কথা বলেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-তে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন জামায়াতের এই নেতা।

বিমানবন্দরের ঘটনায় বাংলাদেশ মিশনের ত্রুটি থাকার অভিযোগ করে তিনি বলেন, তারা যথাযথভাবে আমাদের অবহিত করেনি যে কী ঘটছে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আমরা যদি একসঙ্গে বের হতাম, তাহলে হয়তো হামলাকারীরা আমাদের কাছে আসত না।

এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, আওয়ামী লীগ যে এমন কাজ করতে পারে, তা আমরা আগেও দেখেছি। তারা এমন ঘটনা পূর্বেও ঘটিয়েছে। আমাদের এমন আশঙ্কা ছিল। তবে তারা আসলে এখানে কী করছে বা বাইরে কী ঘটছে, সেটা আমরা বের হওয়ার আগে বুঝতে পারিনি।

তিনি বলেন, আমি ওদের সঙ্গে ছিলাম। তারা আমাদের থেকে ৮-১০ হাত দূরে অবস্থান করছিল। এ সময় আমাদের ছেলেরা ‘তাহের ভাই, তাহের ভাই’, ‘জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল। ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডও ছিল। আমি দু’জনকে বলেছিলাম, তোমরা ফখরুল সাহেবের নামেও স্লোগান দাও, কারণ এটা শুনে একটু খারাপ লাগে। কিন্তু ছেলেরা খুব উত্তেজিত ছিল এবং কথা শুনছিল না। তখন আমি বুঝলাম ফখরুল ভাই হয়তো বিব্রতবোধ করছেন। তাই আমি কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখলাম যাতে স্লোগানটি তার কানে না পৌঁছায়। পরে তারা আমাকে সংবর্ধনা দিল, ফুল উপহার দিল, এবং আমি সেখানে ৩-৪ মিনিট বক্তব্য দিয়েছি। এ কারণে টাইম গ্যাপটা একটু বেশি হয়ে গেছে। পরে ডিম মারার বিষয়টি আমি শুনতে পেলাম।

ডা. তাহের আরও বলেন, আপনারা টিভিতে দেখবেন যে, সেখানে আখতারকে যে দু’জন ছেলে প্রোটেকশন দিয়ে রেখেছে, তারা আমাদেরই ছেলে। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা।