ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে চায় যুক্তরাজ্য জানিয়েছেন মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না, বৈধ হলেই প্রার্থী বলেছেন মীর শাহে আলম অবৈধ ড্রেজারে মাটি কাটা রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, পাইপ ও যন্ত্রপাতি জব্দ ও বিনষ্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচন আগামী ২৯ অক্টোবর জানিয়েছেন ইসি সচিব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডিজিটাল পাল্লায় রশি বেঁধে ওজনে কারচুপি, ইলিশ ব্যবসায়ীর ১ লাখ টাকা জরিমানা বৃদ্ধ স্ত্রীকে কোলে নিয়ে খাবারের আকুতি: শেরপুর জেলা প্রশাসনের মানবিক সহায়তা খুলনার ভৈরব নদে ট্রলার-ফেরি সংঘর্ষ: আট দিন পর নিখোঁজ রাকিবের মরদেহ উদ্ধার, শোকাহত পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকট: উৎপাদন ব্যাহত, দিশেহারা শিল্প মালিকরা নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানি জনসাধারণের সমস্যা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান, কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ডোমারে পৃথক ঘটনায় যুবক ও অজ্ঞাতপরিচয়ের ব্যক্তির মৃত্যু
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৬ মাসে ১২ জনের মৃত্যু কক্সবাজার সৈকতে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে গোসলে নেমে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর জেলার বিভিন্ন স্থানে আরও ৫০ জনের অধিক মানুষ পানিতে ডুবে মারা গেছে। এর মধ্যে কুতুবদিয়া, উখিয়া ও রামু উপজেলায় সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে।

সংস্থাটি পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে কাজ করে থাকে। ২০১৪ সাল থেকে সংস্থাটি কাজ করছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।

সি সেইফ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ২০১৪ সাল থেকে গেল প্রায় ১০ বছরে ৬৪ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে তাদের কাছে। যারা প্রত্যেকেই সৈকতে গোসলে নেমে ভেসে গিয়ে মারা গেছে।

তিনি বলেন, এ সময় ৭৯৫ জনকে পানি থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে সি সেইফ লাইফগার্ড।

তবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিয়মিত যে পরিমাণ পর্যটক থাকে তাতে এই বেসরকারি লাইফগার্ড খুবই অপ্রতুল। সরকারি ছুটির দিন ও যেকোনো উৎসবের ছুটিতে পর্যটকের সংখ্যা পার হয় লাখের অধিক।

ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, সৈকতে যে পরিমাণ পর্যটক ছুটিতে আসে মাত্র ২৭ জন লাইফগার্ড কর্মী দিয়ে সেটি মোকাবিলা সম্ভব না। তাও আবার দুই সিফটে ভাগ হয়ে ১৩ জন করে তারা দায়িত্ব পালন করেন। যা খুবই অপ্রতুল।

এ বিষয়ে সমাজকর্মী ও পর্যটন উদ্যোক্তা কলিম উল্লাহ বলেন, সরকারের উচিত বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে সৈকতে লাইফগার্ড সেবা চালু করা। এ ছাড়া কোথায় গোসলে নামবে এবং কোথায় গোসলে নামা যাবেনা সেটি নির্ধারণ করে দেওয়া।

ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ঘিরে বারবার পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও প্রতিরোধে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই। একটি সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটি থাকলেও তারাও এতে উদ্যোগী নন। যারা কেবল ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফিও এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানাতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘একটি বেসরকারি সংস্থা কাজ করছে, আমরা তাদের ক্যাপাসিটি বিল্ডিংসহ অন্যান্য বিষয়ে কিভাবে আগানো যায় তা নিয়ে ভাবছি।’

জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে প্রতিবছর দুই লাখ ৩৫ হাজার মানুষ প্রতি বছর পানিতে ডুবে মারা যায়। তারমধ্যে বাংলাদেশে ১৯ হাজার মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। গড় হিসাব করলে দেশে প্রতিদিন ৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৪০ জনই শিশু।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে চায় যুক্তরাজ্য জানিয়েছেন মীর শাহে আলম

৬ মাসে ১২ জনের মৃত্যু কক্সবাজার সৈকতে

আপডেট সময় ১২:২৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে গোসলে নেমে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আর জেলার বিভিন্ন স্থানে আরও ৫০ জনের অধিক মানুষ পানিতে ডুবে মারা গেছে। এর মধ্যে কুতুবদিয়া, উখিয়া ও রামু উপজেলায় সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে।

সংস্থাটি পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে কাজ করে থাকে। ২০১৪ সাল থেকে সংস্থাটি কাজ করছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে।

সি সেইফ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, ২০১৪ সাল থেকে গেল প্রায় ১০ বছরে ৬৪ জনের মৃত্যুর তথ্য রয়েছে তাদের কাছে। যারা প্রত্যেকেই সৈকতে গোসলে নেমে ভেসে গিয়ে মারা গেছে।

তিনি বলেন, এ সময় ৭৯৫ জনকে পানি থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে সি সেইফ লাইফগার্ড।

তবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নিয়মিত যে পরিমাণ পর্যটক থাকে তাতে এই বেসরকারি লাইফগার্ড খুবই অপ্রতুল। সরকারি ছুটির দিন ও যেকোনো উৎসবের ছুটিতে পর্যটকের সংখ্যা পার হয় লাখের অধিক।

ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, সৈকতে যে পরিমাণ পর্যটক ছুটিতে আসে মাত্র ২৭ জন লাইফগার্ড কর্মী দিয়ে সেটি মোকাবিলা সম্ভব না। তাও আবার দুই সিফটে ভাগ হয়ে ১৩ জন করে তারা দায়িত্ব পালন করেন। যা খুবই অপ্রতুল।

এ বিষয়ে সমাজকর্মী ও পর্যটন উদ্যোক্তা কলিম উল্লাহ বলেন, সরকারের উচিত বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে সৈকতে লাইফগার্ড সেবা চালু করা। এ ছাড়া কোথায় গোসলে নামবে এবং কোথায় গোসলে নামা যাবেনা সেটি নির্ধারণ করে দেওয়া।

ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন গন্তব্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ঘিরে বারবার পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়লেও প্রতিরোধে সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই। একটি সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটি থাকলেও তারাও এতে উদ্যোগী নন। যারা কেবল ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাফিস ইনতেসার নাফিও এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানাতে পারেনি।

তিনি বলেন, ‘একটি বেসরকারি সংস্থা কাজ করছে, আমরা তাদের ক্যাপাসিটি বিল্ডিংসহ অন্যান্য বিষয়ে কিভাবে আগানো যায় তা নিয়ে ভাবছি।’

জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে প্রতিবছর দুই লাখ ৩৫ হাজার মানুষ প্রতি বছর পানিতে ডুবে মারা যায়। তারমধ্যে বাংলাদেশে ১৯ হাজার মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়। গড় হিসাব করলে দেশে প্রতিদিন ৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৪০ জনই শিশু।