ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার বললেন জুবাইদা রহমান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবন: ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ‎ত্রিশালে ‘মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে’ বিশাল ‎হা-ডু-ডু খেলার ফাইনাল অনুষ্ঠিত গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান: ৩ জনের জরিমানা, নৌকা ধ্বংস মতপার্থক্যগুলো ‘যথাযথভাবে’ সামলানো হবে: শি’র ভারত সফরের আগে চীন ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে বীরগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি বাতিলের দাবি মদনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

রমনা বোমা হামলা মামলায় রায় ঘোষণা শুরু

রাজধানীর রমনা বটমূলে ২০০১ সালে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও  আপিলের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে আজ এই রায় ঘোষণা শুরু হয়।

তবে আজ দণ্ড সংক্রান্ত আদেশের অংশ ঘোষণা হবে না বলে জানান আসামি পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও  আপিলের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রেখে (সিএভি) আদেশ দেন। পরবর্তীতে ৮ মে রায়ের দিন ধার্য করা হয়।

হাইকোর্টে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও সরওয়ার আহমেদ এবং আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলেই নয়জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে মারা যান একজন। এই ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা করেন।

২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর দুই মামলায় ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৪ সালের ২৩ জুন বিচারিক আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। এরপর ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিলের শুনানির জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে।

এ মামলায় বিচারিক আদালত নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে মাওলানা হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মাওলানা আবদুল হাই ও মাওলানা শফিকুর রহমান।

এদিকে সিলেটে গ্রেনেড হামলার মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। ২০১৪ সালের বিচারিক আদালতের রায় ঘোষণার পর মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে জেল আপিল হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, নাগরিকের অধিকার বললেন জুবাইদা রহমান

রমনা বোমা হামলা মামলায় রায় ঘোষণা শুরু

আপডেট সময় ১২:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

রাজধানীর রমনা বটমূলে ২০০১ সালে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও  আপিলের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে আজ এই রায় ঘোষণা শুরু হয়।

তবে আজ দণ্ড সংক্রান্ত আদেশের অংশ ঘোষণা হবে না বলে জানান আসামি পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ডেথ রেফারেন্স ও  আপিলের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ রেখে (সিএভি) আদেশ দেন। পরবর্তীতে ৮ মে রায়ের দিন ধার্য করা হয়।

হাইকোর্টে আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও সরওয়ার আহমেদ এবং আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালানো হয়। হামলায় ঘটনাস্থলেই নয়জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে মারা যান একজন। এই ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ ওই দিনই রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা করেন।

২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর দুই মামলায় ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০১৪ সালের ২৩ জুন বিচারিক আদালত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। এরপর ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিলের শুনানির জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে।

এ মামলায় বিচারিক আদালত নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে মাওলানা হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মাওলানা আবদুল হাই ও মাওলানা শফিকুর রহমান।

এদিকে সিলেটে গ্রেনেড হামলার মামলায় মুফতি হান্নানের মৃত্যুদণ্ড ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। ২০১৪ সালের বিচারিক আদালতের রায় ঘোষণার পর মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে জেল আপিল হয়।